Showing posts with label blood health. Show all posts
Showing posts with label blood health. Show all posts

Friday, July 22, 2016

কুকুর কামড়ালে কি সত্যিই পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়?



কুকুর কামড়ালে কি সত্যিই পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়?





আমাদের মধ্যেই অনেকেই কুকুর ভয় পান। আর এই ভয়ের অন্যতম কারণ হচ্ছে কুকুর কামড়ালে যে ভয়াবহ জলাতঙ্ক। আবার র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুর মানুষকে কামড়ালে আর সময়মতো চিকিৎসা না করালে পরিণাম হয় মৃত্যু। র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুরকে সাধারণ লোকজন পাগলা কুকুর বলেই জানে। প্রকৃতপক্ষে এই পাগল আচরণের জন্য দায়ী র‍্যাবিস। র‍্যাবিস—র‍্যাবডোভাইরাস গ্রুপের আরএনএ ভাইরাসজনিত রোগ। র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুরের মধ্যে কোনো কিছুকে কামড়ানোর প্রবৃত্তি জেগে ওঠে, ঝাঁপ দিয়ে কোনো কিছু ধরতে চায় এবং গিলে খেতে সাহায্যকারী মাংসপেশিগুলোর সংকোচন হতে থাকে।

এতে তৃষ্ণা পেলেও পানি পান করা সম্ভব হয় না। তাই হয়তো র‍্যাবিসের অন্য নাম জলাতঙ্ক। কাজেই কুকুর থেকে সাবধান থাকা ভালো। কিন্তু কুকুর কামড়ালে মানুষের পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়—এ ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। কুকুরের কামড় থেকে পেটে কুকুরের বাচ্চা হওয়া অসম্ভব ব্যাপার। এমনকি কখনো হয়েছে বলে শোনা যায়নি। তার পরও এ ধরনের একটি ভ্রান্ত বিশ্বাস প্রচলিত আছে।

সম্ভবত কুকুর সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বনের স্বার্থে এ ধরনের কথার প্রচলন হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ভয় দেখানোর জন্য বিশেষ করে এবং তারা যাতে কুকুর থেকে দূরে থাকে, এ জন্যই হয়তো এ রকম ভ্রান্ত কথার প্রচলন হয়েছে। তবে কথাটির প্রচলন যে কারণেই হোক, এটি ঠিক নয়। কুকুর কামড়ালে পেটে বাচ্চা হয় না এবং বাচ্চা হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। তবে কুকুর কামড়ালে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

‘ও’ পজিটিভ রক্তের গ্রুপ স্পেশাল হওয়ার কারণ কি?

‘ও’ পজিটিভ রক্তের গ্রুপ স্পেশাল হওয়ার কারণ কি?






মোটামুটি সবারই জানা যে, সার্বজনীন দাতা রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ। এই গ্রুপের কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। যেমন: যাদের শরীরে ‘ও’ গ্রুপের রক্ত তাদের নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এদের তুলনামূলক আলসার, থাইরয়েডের অসুখে ভোগার হার বেশি। হরমোনের মাত্রাও কম হয়। আয়োডিনের ঘাটতিও দেখা যায়। সহজে মোট হয়ে যায়।
এতো সমস্যার পরেও কিন্তু এই গ্রুপটি স্পেশাল। কারণ, এরা সাধারণত সমাজের নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নেতৃত্ব স্বভাবজাত গুণ। কাজে অত্যন্ত মনোযোগী, ব্যক্তিত্ববান।
তবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়লে, ভীষণ রেগে যায়, অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। পাশাপাশি অতিমাত্রায় আবেগতাড়িত। খাওয়াদাওয়া নিয়ে হুঁশ থাকে না। স্বাস্থ্য নিয়ে ওতো মাথা ঘামায় না।
এই গ্রুপটি জাপানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চাকরির ইন্টারভিউয়ে কমন প্রশ্ন থাকে ব্লাড গ্রুপ। আর সেটা ‘ও’ হলে পাস মার্ক! কারণ জাপানিরা মনে করে, ‘ও’ গ্রুপের অধিকারীরা খুবই দায়িত্ববান, কাজ ফেলে রাখা পছন্দ করে না, যুক্তিবাদী, গোছালো।









তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....