Showing posts with label health. Show all posts
Showing posts with label health. Show all posts

Monday, August 1, 2016

৬টি উপায়ে পছন্দের ছেলেটিকে জানিয়ে দিন “ভালবাসি”




৬টি উপায়ে পছন্দের ছেলেটিকে জানিয়ে দিন “ভালবাসি”

 ফ্রি ইবুক ডাউনলোডকরতে এখানে     ফ্রি সফটওয়ার ডাউনলোড করতে এখানে




02-086-Indian-Atlanta-Wedding-Photographer





ভালোবাসার মানুষটিকে নিজের মনের কথা জানানো অনেক মেয়ের দ্বারা সম্ভব হয়ে ওঠেনা।
আপনি আপনার প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে ভালবাসার প্রস্তাব পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা মানে হল ভালবাসার সময়টিকে নষ্ট করা । তাই দেরি না করে বলে ফেলুন নিজের মনের কথাটি নিজেই। আর এই কাজটি মেয়েদের জন্য সহজ করে দেওয়ার জন্য দেয়া হলো সহজ কিছু উপায়।
সঠিক সময় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সবচেয়ে ভাল সময়টি হয় ছেলেটির জন্মদিন। আপনি যাকে ভালবাসেন তাকে তার জন্মদিনের দিন প্রেমের প্রস্তাব দিতে পারেন। এটি তার জন্য যেমন অবাক করা বিষয় হবে তেমনি হবে অনেক আনন্দের। ।
*আপনি যাকে পছন্দ করেন তার শখের বিষয়গুলোতে আপনার আগ্রহ প্রকাশ করুন। এতে ছেলেটি আপনার সাথে একাত্মতা অনুভব করবেন এবং আপনার সাথে সহজ হয়ে কথা বলতে পারবে। আর এই সুযোগে খুব সহজেই আপনি আপনার মনের কথাটিও বলে ফেলতে পারবেন।
*আপনি যাকে ভালবাসেন তার পছন্দের কোন খাবার রান্না করে তাকে খাওয়ান। অথবা তার পছন্দের কোন রেস্টুরেন্টে তাকে নিয়ে যান। খাওয়ার মাঝে বলে ফেলুন আপনার ভালবাসার কথাটি।
* আপনার পছন্দের মানুষটির কোন পোষা প্রাণী থাকরে এই পোষা প্রাণীটি হতে পারে আপনার মনের কথা পৌঁছানোর ডাক পিয়ন। পোষা প্রানীটিকে আদর করুন, তার সাথে খেলুন দেখবেন ছেলেটি আপনাকে পছন্দ করা শুরু করে দিয়েছে।
*ই-মেইল, এসএমএস এর যুগে  চিঠির আবেদন এখনও কমে যায়নি। যাকে ভালবাসুন তার জন্য সুন্দর করে একটি চিঠি লিখুন। চিঠিতে খুব বেশি ইমো ব্যবহার করবেন না, এতে রোমান্টিকতা অনেক কমে যেয়ে হাস্যকর হয়ে উঠে।
*এত সব নিয়মকে একপাশে রেখে সোজাসাপ্টা বলে ফেলুন যাকে ভালবাসুন। হ্যাঁ এতে কিছুটা সাহসের প্রয়োজন আছে। তবে অনেক ছেলেরাই সরাসরি কথা বলা পছন্দ করে। তাই সময় নষ্ট না করে সরাসরি বলে ফেলুন যাকে ভালবাসেন। আর হ্যাঁ ভালবাসার কথা বলার সময় ফুল সাথে করে নিতে ভুলবেন না যেন।
‘ভালবাসি’ কথাটি বলার আগে একবার চিন্তা করে নিন। সময় দিন ছেলেটিকে জানুন। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। তারপর ধীরে সুস্থ সময় নিয়ে বলে ফেলুন মনের কথাটি। কারণ একটি ছোট ভুল সিদ্ধান্ত হয়ে যেতে পারে সারাজীবনের কষ্টের কারণ।









তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

মেয়েদের যৌন উত্তেজনক পিল কি? কেমন কাজ করে এটি?



মেয়েদের যৌন উত্তেজনক পিল কি? কেমন কাজ করে এটি?



sasa988888978899




মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা তৈরি করল এমন এক ট্যাবলেট, যা খেলে মহিলাদের যৌন চাহিদা বেড়ে যাবে। এই ওষুধ বাজারে ছাড়ার জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন। সেই কারণে আপাতত তাঁরা ওষুধের স্যাম্পেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এবং ড্রাগ অ্যাডমিনিসট্রেশন দফতরে জমা দিয়েছে।
উত্তর ক্যারোলিনার ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা, স্প্রাউট ফার্মাসিউটিকালসের তৈরি এই ওষুধটি মূলত নন- হরমোনাল, নাম ফ্লিবানসেরিন। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এটাই বিশ্বের প্রথম পিল, যা মহিলাদের যৌন চাহিদা বাড়াবে।

সংস্থার সিইও তরফে দাবি করা হয়েছে, বহু মহিলা, যাঁদের যৌন চাহিদা কম হওয়ার ফলে, তাঁদের স্বামী বা বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়। এই ওষুধ সেই সমস্যার অনেকটা সমাধান করবে বলে, দাবি করা হচ্ছে।
পুরুষ বা নারী, যেকোনও মানুষেরই যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। মূলত, মস্তিষ্কে নিউরোট্রান্সমিটারে ভারসাম্যহীনতার ফলে একজনের যৌন চাহিদা বাড়ে বা কমে, দাবি করেছেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মনোরোগবিদ্যার প্রফেসর।
ফ্লিবানসেরিন নামের এই পিলটি মূলত সেই ভারসাম্যহীনতাকে সংশোধন করবে, এবং একজন মহিলার ভেতরে স্বাভাবিক যৌন চাহিদা বাড়িয়ে দেবে। এরমধ্যেই ওষুধটি এগারো হাজার মহিলার ওপর পরীক্ষা করেও দেখা হয়েছে, বলে জানানো হয়েছে সংস্থার তরফে।
সমীক্ষা চালানো হয়েছে এমন কয়েকজন মহিলার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁদের যৌন চাহিদা যেমন বেড়েছে, তেমন কম যৌন আসক্তির জন্য যে মানসিক সমস্যার তৈরি হয়েছিল, তাও অনেক কমে গেছে। তৃতীয়ত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার ইচ্ছেও অনেক বেড়ে গেছে সেই সমস্ত মহিলাদের মধ্যে, এবং বেড়েছে যৌন সম্পর্কের পর তৃপ্তিও।
তবে এই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও রয়েছে। সবসময় ঘুম ঘুম ভাব আসে, সঙ্গে বমি বমি ভাবও থাকছে। সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, বিশ্বের মধ্যে ১০ থেকে ১২ শতাংশ মহিলা কম যৌন চাহিদায় আক্রান্ত। এই ওষুধ তাঁদের জন্য এক নিশ্চিন্ত সমাধান, সামান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলোকে উপেক্ষা করতে পারলে।








তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

যে জিনিসের গন্ধ পেলে নারীদের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়!





যে জিনিসের গন্ধ পেলে নারীদের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়!






sastho09999985745





পস্পরের জন্য সুখদায়ক বা স্যাটিস্ফায়িং একটী যৌন মিলনের প্রথম শর্ত হচ্ছে আপনার পার্টনারের প্রতি শ্রাওদ্ধাশীল হওয়া। আপনি যে আন্নদ পাচ্ছেন সেও ততটুকূ আনন্দ পাচ্ছেন কী না তা যখন আপনি নিশ্চিত করতে উতসাহিত হবেন, তখনই যৌনমিলন আপ্সে আপ স্যাটিস্ফায়িং হবে।
নারী কিছুটা উৎপীড়িত হ’তে চায় যৌন মিলনে-তাই মনোবিজ্ঞান স্বীকার করে যে, পুরুষ কিছুটা উৎপীড়ন করতে পারে নারীকে। কিন্তু প্রহরণ ঠিক শৃঙ্গার নয়-কারণ মিলনের আগে এর প্রয়োজন নেই। পূর্ণ মিলনের সময় আনন্দ বৃদ্ধির জন্যে পুরুষ ধীরে ধীরে নারী-দেহের কোমল অংশে মৃদু প্রহার করতে পারে।
আজকের কথা নয়। সেই আদিম যুগ থেকেই ভেষজ উদ্ভিদ মানুষের যৌন উত্তেজনায় একটি বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছে। প্রাচীন মানুষরা বিভিন্ন ভেষজ পদার্থের মাধ্যমেই নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করতেন।
আজ দিন বদলেছে, সময় পালটেছে। বাজারে এসেছে বিভিন্ন যৌনবর্ধক ওযুধ। কিন্তু সম্প্রতি এমন একটি ছত্রাকের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার গন্ধ শোঁকা মাত্রই নারীদের যৌন উত্তেজনা তৎক্ষনাৎ বেড়ে যায়। যদিও এই ছত্রাকের নাম এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি, তবে এটুকু নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটি ডিক্ট্যোফারা প্রজাতি বংশোদ্ভূতু

জল হ্যালিডে এবং নোয়া সোল নামে দুই বিজ্ঞানী এই বিশেষ ছত্রাকটি আবিষ্কার করেন।তাঁরা জানিয়েছেন, এই বিশেষ ছত্রাকের গন্ধ কোনও মহিলার নাকে যাওয়া মাত্রই তিনি প্রচণ্ডভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এই মর্মে তারা একটি পরীক্ষাও চালিয়েছিলেন। সেখানেই দেখা গেছে, ১৬ জনের মধ্যে ছ’জন মহিলাই এই চটদলদি যৌন উত্তেজনার শিকার হয়েছেন। বাকি ১০ জনের উত্তেজনা তৎক্ষনাৎ না বাড়লেও হৃদস্পন্দন অনেকটাই বেড়ে গেছিল। তবে এই একই পরীক্ষা পুরুষদের উপর চালানো হলেও, কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি
ন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ মেডিসিনাল মাশরুম পত্রিকাতেও একথা দাবি করা হয়েছে যে এই বিশেষ ছত্রাকে একধরনের গন্ধ থাকে যা থেকেই মহিলাদের চটদলদি যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। হ্যালিডে জানিয়েছেন, এই ছত্রাকে একটি বিশেষ হরমোনের যৌগ রয়েছে যা সরাসরি মহিলাদের স্নায়ুতে গিয়ে আঘাত করে। আর এই আঘাতের ফলে যৌন উত্তেজনার সময় মহিলাদের যে স্নায়বিক অনুভুতি হয়, সেই একই অনুভূতি এই ছত্রাকের গন্ধেও হয়।









তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

Monday, July 25, 2016

সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে মিলনে আবদ্ধ হওয়া কি ঠিক?


সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে মিলনে আবদ্ধ হওয়া কি ঠিক?









sassa000099887




সহবাসের কিছু কিছু নিয়ম কানুন আছে।যেগুলো কিছুটা বিজ্ঞানসম্মত আবার কিছুটা ধর্মসম্মত। আমারা প্রতিটি বিষয়েই ইসলামের নিয়ম-কানুন মেনে চলার চেষ্টা করি। ইসলামের প্রতিটি জিনিসেই একটা নিয়ম বা আইন আছে। তাই আমাদের স্ত্রীর সাথে সহবাসের ক্ষেত্রেও একটা ইসলামি সিস্টেম বা কায়দা আছে।  অনেকে বলে সহবাসের সময় সম্পূর্ণ উলঙ্গ হতে নেই, রুম অন্ধকার রাখতে হয়, একে অপরের লজ্জাস্থান দেখতে নেই ইত্যাদি। তা কি ঠিক?
এ হল লজ্জাশীলতার পরিচয়। পরন্ত শরীয়তে তা হারাম নয়। অর্থাৎ রুম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলে এবং সেখানে স্বামী স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ না থাকলে আর পর্দার প্রয়োজন নেই। স্বামী স্ত্রী একে অন্যের লেবাস। উভয়ে উভয়ের সব কিছু দেখতে পারে। মহান আল্লাহ বলেছেন,
“(সফল মুমিন তারা) যারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে। নিজেদের পতœী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ব্যাতিত; এতে তারা নিন্দনীয় হবে না। সুতরাং কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে, তারা হবে সীমালংঘনকারী। (মু’মিনূনঃ ৫-৬, মাআরিজঃ ২৯-৩১)”
নবী (সঃ) বলেছেন, “তুমি তোমার স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকটে লজ্জাস্থানের হেফাযত কর।” সাহাবী বললেন, ‘হে আল্লাহ্র রাসুল! লোকেরা আপসে এক জায়গায় থাকলে?’ তিনি বললেন, “যথাসাধ্য চেষ্টা করবে, কেউ যেন তা মোটেই দেখতে না পায়।” সাহাবী বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! কেউ যদি নির্জনে থাকে।’ তিনি বললেন, “মানুষ অপেক্ষা আল্লহ এর বেশী হকদার যে, তাকে লজ্জা করা হবে।” ৬১৭ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, মিশকাত ৩১১৭ নং
সুতরাং রুম অন্ধকার না করলে এবং উভয়ে সম্পূর্ণ উলঙ্গ হলে কোন দোষ নেই। (ইবনে উষাইমীন)













তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

নারীরা মিলনে তৃপ্তির জন্য কি চায় জানেন কি?


নারীরা মিলনে তৃপ্তির জন্য কি চায় জানেন কি?











sas7655555598




বিয়ের মাধ্যেমে একটা মেয়ে তার স্বামীর সংসারে এসে দুটো জিনিসে বেশি খুশি হয়।প্রথমত স্বামীর স্বচ্ছলা অথ্যাৎ ভালো অর্থনৈতি অবস্থা দ্বিতীয়ত স্বামীর আদর।তবে প্রথমটার থেকে দ্বিতীয়টা বেশিরবাগ নারীর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রত্যেক স্মামীর ও উচিত স্ত্রীকে সুখ দেওয়া।অনেক পুরুষ পর্যাপ্ত যৌন জ্ঞানের অভাবে স্তীকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিতে পারে না। তাদের জন্য আজকের এই পোষ্ট।চলুন দেকা যাক কীভাবে নারীকে দ্রুত তৃপ্তি দেওয়া যায়।
১। স্পর্শকাতর স্থানে যেমন গাল, ঠোঁট, কান, গলাতে ঘন ঘন চুমু দেওয়া।
২। আপনার সঙ্গিনীর উরুতে মৈথুনীর পূর্বে ঘর্ষণ করা।
৩। খুব শিঘ্রিই (sex)সঙ্গম না করা অথ্যাৎ সঙ্গোমের পূর্বে যোনিদেশ, ভঙ্গাঙ্কুরে কামাদ্রিভাবে আলতোভাবে আদর করা।
৪। ভগাঙ্কুর নারীর অন্যতম যৈন কাতর স্থান। এই অঙ্গের মর্দনের ফলে নারী দ্রুত উত্তেজিত হয়।
৫। নারীর সবগুলো স্পর্শকাতর অঙ্গের ভিতর স্তন অন্যতম অরো একটি।সহবাসকালে স্তন মর্দন করা।
৬। এটি একটি খুব ফলপ্রসু পদ্ধতি।সহবাসের ঠিক আগে পুরুষাঙ্গের মাথায় সামান্য কর্পূর গুঁড়া লাগালে বীর্জপাত দেরিতে হয়।ফলে স্ত্রী চরম তৃপ্তি লাভ করে।মনে রাখবেন কর্পূর গুঁড়া বেশি পরিমাণে হলে কিন্তু স্ত্রীর যোনী ও পুরুষাঙ্গে হালকা জ্বালা অনুভূত হতে পারে।











তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

সঙ্গী পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিতে বীর্যের পরিমাণ যেমন দরকার!


সঙ্গী পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিতে বীর্যের পরিমাণ যেমন দরকার!





sath99988765




বীর্য নামক উপাদান, যার রঙ সাদা ও গাঢ়, দেখতে মূলপদার্থের মতো। এ বীর্য যখন বের হয়, তখন তীব্রবেগে লাফিয়ে লাফিয়ে বের হয়। যা মহিলাদের ডিম্ভাণুতে পূঁছে গর্ভধারণের উপকরণে রূপান্তরিত হয়। মনে রাখতে হবে যে, মানুষ জম্মের মূল উপাদান হলো বীর্য। আর এ বীর্য যখন কোনো যুবকের লিঙ্গ থেকে বের হয় তখন তা পরিমাণে তিন থেকে ছয় মাশা (এক মাশা=আট রতি) পর্যন্ত হয়ে থাকে। বীর্যের আসল উপাদান হলো কীট বা বীর্যের পোকা। যা দ্বারা ভ্রূণ হয়। বীর্যের মাঝে এ ধরণের কীট না থাকলে এর মাধ্যমে সন্তান জম্ম হবে না। এই কীট বা পোকা বীর্যের মধ্যে বেহিসাব থাকে। যদিও ভ্রূণ তৈরীর জন্য একটি কীটই যথেষ্ট। কীটগুলোর মাথা কিছুটা গোলাকার এ চেপটা হয়ে থাকে। এগুলো আকারে এতো ছোট যে, দূরবীন বা অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া দেখা অসম্ভব। বীর্যে মানুষের শরীরের রক্ত থেকে তৈরী হয়ে থাকে। সুতরাং যার শরীরের রক্ত বেশী বৃদ্ধি পাবে, তার শরীরে বীর্যও তত বেশি বাড়তে থাকবে। যৌবনকালে বীর্য অধিক থাকার কারণ হলো, যৌবনকালে শরীরের রক্ত থাকে তুলনামূলক বেশি। মানুষের শরীরের বীর্য তৈরীর কয়েকটি অঙ্গ রয়েছে।
আর প্রতিটি নারী সঙ্গীই সন্তান কামনা করে। তাই পরিপূর্ণ বীর্যে সঙ্গীর আকাঙ্খা মেটাতে নিজে সুস্থ্য থাকুন।
যথা- কলিজা, হৃৎপিণ্ড ও মস্তিঙ্ক ইত্যাদি। বীর্য বৃদ্ধি করতে হলে এসব অঙ্গ সুস্থ থাকতে হবে। কারণ মানুষ যে খাবারই গ্রহণ করে, তা দ্বারা পরিস্কার রক্ত তৈরী হয়।
















তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

কন্ডোমের ব্যবহারে যে বিষয়গুলো অনেকেই জানেন না!





কন্ডোমের ব্যবহারে যে বিষয়গুলো অনেকেই জানেন না!







sathooo999999KZ






যৌনরোগ, অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ আটকাতে বিশেষজ্ঞরা বারবার পরামর্শ দেন অসুরক্ষিত সেক্স নয়। সুরক্ষিত যৌনজীবন পালনের জন্য। কিন্তু, এখনও ভারতীয় সমাজ সেক্স নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে ভয় পায়। আর যার ফলে ছড়িয়ে পড়ে বেশকিছু ভ্রান্ত ধারণা। কন্ডোমের ব্যবহার নিয়েও এমন বেশকিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। যেমন,
১) ১৮ বছর হওয়ার আগে কন্ডোম কেনা যাবে না!
২) ওরাল সেক্স বা পায়ুসঙ্গমের সময় কন্ডোমের এর দরকার পড়ে না। একদমই ভুল। কারণ, কন্ডোম শুধু অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ আটকায় না। যৌনরোগের সংক্রমণও প্রতিরোধ করে!
৩) কন্ডোমের নাকি কোনও এক্সপায়ারি ডেট হয় না! প্রত্যেক ওষুধের মত এরও এক্সপায়ারি ডেট আছে!
৪) কন্ডোম ব্যবহার করলে পরিপূর্ণ যৌনসুখ পাওয়া যায় না! ভুল কথা।
৫) যদি কোনও মহিলা কনট্রাসেপ্টিভ পিল নেন, তাহলে কন্ডোমের প্রয়োজন পড়ে না! যৌন সংক্রমণ আটকাতে অতি অবশ্যই দরকার।
৬) একটা কন্ডোমের চেয়ে ২টো কন্ডোম ব্যবহার করলে সাবধানতা বেশি অবলম্বন করা হয়! বরং উল্টোটাই হতে পারে।
৭) যৌনসঙ্গমের মাঝপথে কন্ডোম ব্যবহার করেও যৌনরোগ ও অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ রোধ করা যায়! একদমই না।
৮) শুধু হেটেরোসেক্সুয়ালদের জন্যই কন্ডোম প্রয়োজন! সমকামীতার ক্ষেত্রে এর দরকার নেই!
৯) একইসময়ে প্রথমবার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট, দ্বিতীয়বার আর কন্ডোম ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা পড়ে না!














তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

সেক্সের কারণে ত্বকের যে ৫টি প্রভাব পরে!



সেক্সের কারণে ত্বকের যে ৫টি প্রভাব পরে!









sas66554556





শারীরিক মিলনের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে এই বিষয়ে আমরা অবগত। শারীরিক মিলনে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা মধ্যে একটি বিশেষ উপকারিতা হল ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। সত্যিই এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে।
সাইকোলজিস্টরা বলেন, ‘অ্যান ওরগ্যাজম এ ডে কিপস্ দ্যা ডক্টর অ্যাওয়ে’। তাঁরা বলছেন ভাল খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সুস্থ্য থাকতে রোজ সেক্স বা শারীরিক মিলনে আবদ্ধ হওয়া উচিত। যেমন আমরা রোজ দাঁত মাজি বা স্নান করি ঠিক সেই রকম রোজ সেক্স বা শারীরিক মিলনে লিপ্ত হওয়া উচিত। এর ফলে মন ভাল থাকার সঙ্গে সঙ্গে হার্ট ও ভালো থাকে। শুধু তাই নয় ত্বক যদি চকচকে ও উজ্জ্বল করতে চান তার জন্যেও রোজ সেক্স করতে হবে। শারীরিক মিলন ত্বকের যে ধরনের উপকার করে এ সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত জেনে নিন।
১. শারীরিক মিলনে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সেক্স মহৌষধির কাজ করে। নিয়মিত শারীরিক মিলনে আবদ্ধ হলে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ফলে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। আর আপনার ত্বক হয়ে ওঠে আরো বেশি উজ্জ্বল। শুধুমাত্র উজ্জ্বল ত্বক নয়, সেক্স করার ফলে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায় আর আপনার ঠোঁট করে তলে আরও বেশি নরম ও সুন্দর।
২. শারীরিক মিলন ত্বক পরিষ্কার করে: প্রতিদিন শারীরিক মিলনে আবদ্ধ হলে স্কিন পরিষ্কার করার দরকার নেই। বেশীরভাগ সময় সেক্স করার সময় প্রচুর ঘাম হয়। আর এতেই আপনার ত্বক পেয়ে যায় একটা ফ্রি ফেসিয়াল। ঘাম হওয়ার ফলে আপনার স্কিন পোরে জমে থাকা ময়লা বাইরে বেড়িয়ে আসে,যার ফলে নতুন আর মুখ পরিষ্কার করার দরকার হয় না।
৩. শারীরিক মিলন ব্রণ দূর করে: নিয়মিত শারীরিক মিলন করার ফলে আপনার হরমোন লেভেল কন্ট্রোলে থাকে। যার ফলে মুখে ব্রণ আসে না। আআপনি পাবেন পরিষ্কার উজ্জ্বল ত্বক আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল।
৪. সেক্স বলিরেখা দূর করে: বয়সের চাপ সবার প্রথমে মুখের চামড়ায় পড়ে। তাই যদি ইয়াং থাকতে চান তা হলে রোজ সেক্স করা কিন্তু মাস্ট। সেক্স করার সময় আপনার শরীরে কোলাজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর এই কারণে মুখের চামড়া থাকে টানটান। তাই সহজে মুখে বলিরেখা পড়ে না।
৫ .সহবাস ত্বক রাখে কোমল ও নরম: মহিলাদের মেনোপোজ হওয়ার পর স্কিন ক্রমশ ড্রাই হয়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুখের চামড়া সব থেকে শুষ্ক লাগে। অনেকেই ভাবেন মেনোপোজ হয়ে গেলে শারীরিক মিলনের চাহিদা কমে যায়। এই ধারনা পুরোটাই ভুল। বরঞ্চ ডাক্তাররা এই সময়তেও নিয়মিত শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে বলেন কারণ এর ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা আপনাত ত্বককে করে তুলবে আরো বেশি কোমল ও নরম।










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

Sunday, July 24, 2016

যে খাবারগুলো রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়



যে খাবারগুলো রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়








WHO (World Health Organization) এর মতে সারা বিশ্বে শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ অ্যানিমিয়া অথবা রক্তস্বল্পতা সমস্যায় ভুগে থাকেন। আর এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে আয়রনের অভাবের কারণে। রক্ত কোষে আয়রন সমৃদ্ধ প্রোটিন হল হিমোগ্লোবিন। এর প্রধান কাজ হল ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পরিবাহিত করা।
সাধারণত ১৪-১৮ মিলিগ্রাম একজন পুরুষের  এবং ১২-১৬ মিলিগ্রাম একজন নারীর শরীরে হিমোগ্লোবিন থাকা উচিত। মাথা ঘুরানো, দুর্বল লাগা, ক্লান্তি লাগা, খাদ্যে অরুচি, শ্বাস কষ্ট, হার্ট বিট বৃদ্ধি ইত্যাদি হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার লক্ষণ।
ওষুধের পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু উপায়ে রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলো।
আপেল  
প্রতিদিন একটি করে আপেল খান, এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। আপেল খাওয়ার পরিবর্তে আপেল এবং বিট মিশিয়ে জুস করে পান করতে পারেন। এর সাথে আদা অথবা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি দিনে দুইবার পান করুন।
তিল
তিল পানিতে ভিজিয়ে রাখুন দুই ঘন্টা। তারপর এটি বেটে পেস্ট করে নিন। এর সাথে এক টেবিল চামচ মধু মেশান। তিল এবং মধুর মিশ্রণটি দিনে দুইবার খান। এছাড়া এক কাপ দুধের সাথে তিলের পেস্ট এবং মধু অথবা গুড় মিশিয়ে পান করুন। এটিও রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
ডালিম
আয়রন, ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেইড, এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি ডালিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। অথবা এক গ্লাস ডালিমের রস পান করুন। এছাড়া দুই চা চামচ ডালিমের গুঁড়ো এক গ্লাস গরম দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি দিনে একবার পান করুন।
বিট
একটি বিট, তিনটি গাজর এবং অর্ধেকটা মিষ্টি আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এটি প্রতিদিন একবার পান করুন। এছাড়া খোসাসহ বিট সিদ্ধ করুন। তারপর এটি খান। খাওয়ার আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন। বিটে থাকা আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ফাইবার এবং পটাসিয়াম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে থাকে।
খেজুর   
এক কাপ দুধে দুটি খেজুর ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরের দিন সকালে খালি পেটে এটি পান করুন। দুধ খেতে না চাইলে খালি পেটে কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন। এছাড়া ১-২টি খেজুর গরম দুধে ২-৩ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে এটি পান করুন। নিয়মিত পানে এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন পরিমাণ বৃদ্ধি করবে।
আমলকী
আয়রন, মিনারেল এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকী রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রেখে শরীরে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ করে থাকে। প্রতিদিন খালি পেটে কয়েকটি আমলকী খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।













তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....