Friday, July 22, 2016

যে লক্ষ্মণগুলি বুঝিয়ে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে


যে লক্ষ্মণগুলি বুঝিয়ে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে







আধুনিক কালের জেট গতিতে ছুটে চলা জীবনে হার্ট অ্যাটাকের উদাহরণ বহুলাংশে বেড়েছে। আগে একটা নির্দিষ্ট বয়সের উপর মানুষ এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতেন। কিন্তু এখন আর বয়সের কোনও গণ্ডি নেই। প্রতিযোগিতার বাজারে অত্যাধিক মানসিক চাপ যে কোনও বয়সের ক্ষেত্রে বাড়িয়ে দিচ্ছে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা। তবে একটু আগে থেকে সচেতন হলে, সাবধানতা অবলম্বন করা সহজ হয়।





তাই আর দেরি না করে এখনই জেনে নিন, কোন উপসর্গগুলি দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনারও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে-


১) হঠাৎ করেই যদি আপনি অত্যধিক ঘামতে থাকেন।
২) হঠাৎ করেই হজমে গন্ডগোল। আর তার থেকে বমি। অথচ এমন কিছু খাননি যাতে ফুড পয়েজনিং হতে পারে।
৩) খিদে কমে যাওয়া। খাওয়ার অনীহা।
৪) মাড়িতে, চোয়ালে ব্যথা। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে।
৫) মাঝে মাঝেই ব্ল্যাক আউট হয়ে যাওয়া, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।
৬) সেক্সে অনীহা। পুরুষাঙ্গে শিথিলতা।
৭) অনিয়মিত ঘুম। ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA)। রক্তচাপ বাড়িয়ে তোলে। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ায়।
বাঁচার উপায়
১) বার্ষিক হেল্থ চেক-আপ করান।
২) নিয়মিত ৩০ মিনিট করে যোগাসন করুন।
৩) রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪) ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।

তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট













তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০টি বাড়ি



পৃথিবীর অদ্ভুত ১০টি বাড়ি

পৃথিবীতে মানুষ বিচিত্র কত কিছুই তো বানায়। এ তালিকায় তার প্রিয় বাড়িও রয়েছে। এখানে দেখুন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অদ্ভুত সব বাড়ি।










১. জাপানের এই বাড়িটির নাম ফ্লাইং মাড বোট। অদ্ভুত এক ভাসমান বাড়ি। মাটি দিয়ে বানানো নৌকার মতো
HOUSE


২. এই বাড়িটি দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়। রাশিয়ার সাইবেরিয়ার এক শহর ক্রান্সনোইয়ারস্কের একটি বাড়ি।
HOUSE



৩. দক্ষিণ কোরিয়ার সিম জায়-ডাক হলেন ওয়ার্ল্ড টয়লেট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান। তার বাড়ির সঙ্গে পেশা মেলে। থাকেন টয়লেট সিট ডিজাইনে বানানো বাড়িতে। বাইরে থেকে অন্তত এমনই দেখা যায়।
HOUSE



৪. জাপানের টকিওতে ১৯৮৪ সালে বানানো হয় সানরিও স্ট্রবেরি হাউড। এটা টোকিওর শিশুদের জন্য বানানো প্রথম শপিং সেন্টার। স্ট্রবেরি মাঝের আদলে গড়া ভবনটি যেন এক রূপকথার রাজ্য।
HOUSE



৫. সেই সত্তর দশকে ফ্যাশন ডিজাইনার পিয়েরে কার্ডিনের অদ্ভুত দর্শন বাড়ি। এটাকে ঐতিহাসিক স্থাপনা বলে ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্সের মিনিস্ট্রি অব কালচার।
HOUSE




৬. এ বাড়ির কিভাবে ভারসাম্য রক্ষা করে দাঁড়িয়ে রয়েছে? সার্বিয়ার বাড়িটি এখানে এভাবেই দাঁড়িয়ে রয়েছে ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে।
HOUSE



৭. একটি গম্বুজ একটি বাড়ি। ইন্দোনেশিয়ার প্রাচীন শহর ইয়োগায়াকার্তায় ভূমিকম্পে ঘর হারানো কৃষকদের জন্য বানানো হয় ৭০টি বাড়ি। এই বাড়িগুলো অবশ্য বড় মাত্রার ভূমিকম্প ও ঘণ্টায় ১৯০ মাইল বেগে বয়ে যাওয়া ঝড়ো হাওয়ায় টিকে যেতে সক্ষম।
HOUSE



৮. বিশ্বের সবচেয়ে ছিপছিপে বাড়িটি দেখে নিন। এ বাড়িটি গড়ে মাত্র ৫ ফুট চওড়া। পোল্যান্ডের ওয়ারস শহরে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারা এডগার কেরেটের বাবা-মা। তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেই সময় টিকে যাওয়া দুটো বাড়ির মাঝখানে এটি বানিয়েছেন তিনি।
HOUSE



৯. তিন বেডরুমের এই বাড়িটি বানানো হয়েছে চারটি শিপিং কন্টেইনার দিয়ে। সিডনির এ বাড়িতে আছে দুটো বাথরুম, কাঠেল মেঝে, একটি রান্নাঘর এবং কাপড় ধোয়ার কক্ষ। মজার বিষয় হলো, এ বাড়িটিকে যেখানে ইচ্ছা চালিয়ে নেওয়া যায়।
HOUSE




১০. বাড়িটির নাম বিয়ার ক্যান হাউজ। এর বাইরের অংশ ৫০ হাজার বিয়ারের ক্যান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
HOUSE










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি



কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি

 do





তসলিমা নাসরিন
তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আজকাল আমার উৎসাহ নেই বললেই চলে। অমিতাভ বচ্চনকে ভীষণ ভালোবাসতাম। তাঁকে মনে হতো দুনিয়ার সবচেয়ে স্মার্ট পুরুষ। তারপর তাঁর ব্যক্তিজীবন ঘেঁটে যখন দেখলাম কিছু হলেই তিনি তিরুপতি মন্দিরে দৌড়োন, শুভ কিছু ঘটানোর জন্য কোটি কোটি টাকা মন্দিরে দান করেন, তখন মন ভেঙে গেলো। প্রিয় মানুষদের, ভেবেই নিয়েছিলাম, যুক্তি-বুদ্ধির অভাব নেই। বাস্তবটা বড় অচেনা আর অন্যরকম। প্রিয় মানুষদেরও তাই বড় দূরের মনে হয়। পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়াকে শুনেছি অমঙ্গল কাটাতে গাছের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন। ঐশ্বরিয়া অত্যন্ত ভালো অভিনেত্রী, কিন্তু প্রতিবাদ করেনি। সুচিত্রা সেনকে তো কম ভালোবাসিনি, শুনেছি উনিও নাকি বেলুড় মঠে যেতেন প্রায়ই। পুজো আচ্চা নিয়ে থাকতেন। রাজ্জাকও দেখেছি ধর্মকর্মে ডুবেছেন, ববিতা বোরখা পরছেন, শাবানা তো শরীরে বোরখা চাপিয়েছেনই, এতকাল সিনেমা করাকে পাপ করেছেন বলে মনে করছেন। যেদিকে তাকাই সেদিকেই দেখি তারকারা একেকটা কুসংস্কারের ডেঁপো।
কিছুদিন হলো কিছু তারকা মেয়ের কথায় চমকে উঠছি। দিপিকা পাদুকোনের একটি ছবি ছাপা হয়েছিল টাইমস অব ইন্ডিয়ায়, ছবিটায় দিপিকার ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছিল। তাই নিয়ে তুলকালাম। চারদিকে ছি ছি চলছে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে গালাগালি দেওয়া হচ্ছে। দিপিকা সোজা বলে দিল, ‘আমার স্তন আছে, আমার ক্লিভেজও আছে, এ দেখা গেলে আমার তো কোনো অসুবিধে নেই, তোমাদের অসুবিধে হচ্ছে কেন?’ শুনে তো আমি ব্রাভো বলে চেঁচিয়ে উঠলাম।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া সেদিন বলেছে, ‘সন্তান জন্ম দিতে হলেই শুধু পুরুষকে প্রয়োজন, তাছাড়া জীবনে পুরুষের কোনো প্রয়োজন নেই।’ বাহ, এমন কথা একটা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বড় হওয়া মেয়ের মুখে, বিশেষ করে তারকার মুখে শুনবো, আশা করিনি। তারকারা বিজ্ঞান পড়ে না, বিবর্তন সম্পর্কে কিছুই পড়ে না, নারীবাদীদের বইও পড়ে না, তারা দেশভর্তি অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত মানুষকে খুশি করতে ব্যস্ত থাকে এবং এমন কোনো কথা তারা বলে না, যা শুনে তাদের দর্শক আহত হয়। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা তার দর্শকদের খুশি করতে ব্যস্ত নয়। কে কী ভাববে তার পরোয়া করেনি।
ওর কথা শুনে আমি তো রীতিমতো মুগ্ধ। এমন মেয়ের দেখা তারকাজগতে মেলে না বললেই চলে। তারকা মেয়েরাও এই সমাজেরই মানুষ, তাদেরও এই সমাজের মেয়েদের মতোই বিয়ে করতে হবে, ঘরসংসার করতে হবে, বাচ্চা কাচ্চা পয়দা করতে হবে, স্বামী সন্তানের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে হবে— এই বিশ্বাস প্রায় সব তারকা এবং তাদের অনুরাগী দর্শকদের। এই বিশ্বাসের গায়ে আঘাত দিয়ে কথা বলা সহজ নয় খুব। প্রিয়াঙ্কা কঠিন কাজটিই করেছে। সেদিন সানিয়া মির্জাও আমাকে চমকে দিল। খবরটা এরকম : সানিয়া মির্জা তার আত্মজীবনী গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে সানিয়ার সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন রাজদীপ সরদেশাই। রাজদীপ ভারত টেলিভিশনের বড় সাংবাদিক। নানা প্রসঙ্গের পর হঠাৎই তিনি জিজ্ঞেস করে বসেন, সানিয়া মির্জা কবে ‘থিতু’ হচ্ছেন? মা হওয়ার কথা ভাবছেন কি? বইয়ে কেন তিনি এ সব নিয়ে কিছু লেখেননি?
উত্তরে সানিয়া বলে, ‘আপনি মনে করেন না আমি সেটল্ড?’ শুনে রাজদীপ বলেন, তাঁর বইয়ে সানিয়া অবসরোত্তর জীবন নিয়ে লেখেননি। লেখেননি, মা হওয়ার পরিকল্পনা বা পরিবার গড়ার প্ল্যান নিয়েও। যা শুনে সানিয়া সোজাসুজি বলেছে, ‘আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, মা হওয়ার কথা না ভেবে আমি যে বিশ্বের এক নম্বর হওয়ার বিকল্পটা বেছে নিয়েছি, তাতে আপনি প্রচণ্ড হতাশ!’ সঙ্গে যোগ করে, ‘তবু আমি এটার উত্তর দেব। বাকি মেয়েদের মতো আমাকেও বারবার এই প্রশ্নের সামনে পড়তে হয়েছে। প্রথমে বিয়ে, তার পর মা হওয়া। এগুলো না হলে আমরা নাকি থিতু হই না! হতাশার ব্যাপার হলো, যতগুলো উইম্বলডনই জিতি, যতবার বিশ্বের এক নম্বর হই, আমরা থিতু হই না!’ সানিয়ার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন রাজদীপ। পরে যখন সানিয়াকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কীভাবে মানুষের মনে থাকতে চান, তখনো তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি সানিয়া। বলেছে, ‘আমি যেন এমন কিছু করতে পারি যাতে ২৯ বছরের কোনও বিশ্বসেরা মেয়েকে কেউ না জিজ্ঞেস করতে পারে, সে কবে মা হচ্ছে!’
সানিয়ার এই সাক্ষাৎকার দেখে আমি এমনই উত্তেজিত ছিলাম যে রাজদীপ সরদেশাই-এর সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক থাকার পরও আমি টুইটারে লিখেছি, ‘রাজদীপ স্টুপিড প্রশ্ন করেছে সানিয়াকে’। সানিয়ার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছি, কারণ সানিয়া খুব সত্য কথা বলেছে। এমন সত্য কথা ভারতীয় উপমহাদেশের তারকাদের মুখে আমরা শুনে অভ্যস্ত নই। তারকা মেয়েরা সাধারণত বলে সমাজের রীতিনীতি তারা খুব মেনে চলে। বিয়ের পর তারা স্বামী সন্তানে মন দেবে, তারা আর খেলবে না বা সিনেমা করবে না। বিয়ের পর কোনো পুরুষ তারকা কী করবে, থিতু হবে কিনা, সন্তান জন্ম দেবে কি না, এ ধরনের প্রশ্ন কিন্তু কেউ করে না। কেবল মেয়ের বেলায় কেরিয়ার ছাড়ার প্রশ্ন ওঠে। সফল অভিনেত্রী, গায়িকা, চিত্রপরিচালিকা, খেলোয়াড়, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, মন্ত্রী, ব্যবসায়ী মেয়েরাও নিজের পরিচয়ে পরিচিত হতে পারে না, তারা কার স্ত্রী, কার মেয়ে, কার মা, কার বোন— এসবের খোঁজখবর সবসময়ই চলে।
সানিয়া মির্জার স্বামী শোয়েব মালিকও একজন তারকা খেলোয়াড়। তাকে কিন্তু কেউ, কোনো মেয়ে-সাংবাদিক, কোনো পুরুষ-সাংবাদিক প্রশ্ন করবে না শোয়েব ঘর সংসারে মন দেবে কবে, বাবা হবে কবে, থিতু কবে হবে। পুরুষেরা যত নিশ্চিন্তে নিজেদের কেরিয়ার গড়তে পারে, মেয়েরা তত নিশ্চিন্তে পারে না। পারে না বলা উচিত হবে না। মেয়েদের পারতে দেওয়া হয় না। সংসারটাকে মেয়েদের সবচেয়ে বড় কাজ বলে আজো অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে। মেয়েদের এক সময় ঘরবন্দী হতে হয়, বন্ধ করতে হয় বাইরের কাজ। অবশ্য পুরুষেরা চালিয়ে নিয়ে যায়। অমিতাভ বচ্চন চালিয়ে যান, জয়া ভাদুড়ি বন্ধ করেন। সুচিত্রা সেন বন্ধ করেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় চালিয়ে যান। কাজল বন্ধ করেন, অজয় দেবগণ চালিয়ে যান। এরকম অনেক উদাহরণ আমাদের চারদিকে। বয়স হয়ে গেলে মেয়েদের আর পাতে তোলা যায় না, কিন্তু বয়সটা পুরুষের জন্য কোনো বিষয় নয়। ঠিক না? ঠিক, কারণ সমাজের মানুষগুলোকে এই বৈষম্যের ধারণা নিয়ে আমরা বড় হতে দিই, এভাবেই তাদের হাতে সমাজকে আমরা গড়তে দিই এবং এভাবে এখনো সমাজকে চলতে দিই।
হ্যাপি নামের এক মেয়েকে দেখতাম ক্রিকেটার রুবেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বেশ সাহসী কথাবার্তা বলছে ফেসবুকে। সমাজ ছি ছি করে বলে যে কথাগুলো মেয়েরা সাধারণত লুকোয়, কিছুর তোয়াক্কা না করে হ্যাপি সে কথাগুলোই জোরেশোরে সবাইকে শুনিয়ে শুনিয়েই বলেছে। তারপর কী হলো কে জানে, হঠাৎ সে উধাও। ক’দিন পর দেখি আপাদমস্তক বোরখায় ঢেকে মুখে ধর্মীয়তত্ত্ব আওড়াচ্ছে। লোকে তাকে খারাপ মেয়ে ভেবেছিলো, তাই লোকের চোখে ভালো হওয়ার জন্য ধর্মের আশ্রয় নিয়েছে সে। বড় মায়াই হয়, নিজের সকল প্রতিভা, সকল সম্ভাবনা সব বিসর্জন দিতে হলো তাকে। হ্যাপি যে এদিকে রুবেলের গোপন সব কথা ফাঁস করে দিল, তার পরও কিন্তু কেউ রুবেলকে খারাপ ছেলে মনে করেনি, আর নিজেকে লোকের চোখে ভালো প্রমাণ করার জন্য রুবেলকে আপাদমস্তক আবৃত করতেও হয়নি। সে দিব্যি তার জীবনযাপন করছে, যেমন করছিল। শুধু হেরে যেতে হলো হ্যাপিকেই।
মেয়েদেরই হেরে যেতে হয়। সেদিন পাকিস্তানের সেই মডেল-মেয়ে কান্দিল বালোচকে হারিয়ে দিল পাকিস্তানের সমাজ। তার আপন ভাই তাকে বিষ খাইয়ে, শ্বাসরোধ করে হত্যা করলো। কান্দিল নাকি সমাজের রীতিনীতি মেনে চলছিল না। যে সমাজ মেয়েদের স্বাধীনতার পথে বাধা, সেই সমাজকে মেনে চলার কোনো যুক্তি নেই। যে মেয়েরা শত ধিক দেবে সেই পুঁতিগন্ধময় সমাজকে, সেই সমাজের রীতিনীতিকে পায়ে মাড়িয়ে যাবে, সে মেয়েরাই সামনে এগোবে, সেই মেয়েরাই আমাদের গর্ব, সেই মেয়েরাই ভবিষ্যৎ।
সব মেয়ে হেরে যায় না। দিপিকা, প্রিয়াঙ্কা, সানিয়ারা কিন্তু হেরে যাচ্ছে না। এদের দেখেই আত্মবিশ্বাস আর আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে শিখুক মনোবলহীন তারকা-মেয়েরা।
লেখক : নির্বাসিত লেখিকা।












তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....



Thursday, March 13, 2014

Theme Song - ICC Twenty20 World Cup 2014

)

তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাওযাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই,আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলেআমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

Saturday, February 8, 2014

ভালোবাসা হচ্ছে বিবাহের সূর্যোদয়, আর বিবাহ হচ্ছে ভালোবাসার সূর্যাস্ত।



তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাওযাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই,আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলেআমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

Sunday, November 11, 2012

Love and ভালবাসা এবং


Phalaguni night;
Saw him with darkness.
When the owl pair of green eyes match
Adhamre finding the hidden surprise.
I have two blue eyes of his, transparent water of the body
Cupe in the air, he said: -
"This is not a woman in the world.
Thence
The mystery of the body of water, such as transparent ascertained
It was the first dawn ......
How long before the wire bhalabesechilama
I do not think it is.
How many secret feelings of confidence
I was born for! Do not think.
When I play chale adhamrera rive
One of the pieces of light enechilama!
I went broke
Autumn stars at night
Many of the old.
It was the night of the full moon. . While I have a follow-up chest dinaratrira ghrana
Those living in the days of his mouth .............
During the wave of the grass on soil
Suryastera deleted the last birds to return to the last color nire.
Maybe he and I bhalobesechila;
Today the bus!
But I think I Blog.
Last evening the soft rodera
Remove it from the smell of his body. 


ফালগুনী রাতে; ........ দেখেছি তারে অন্ধকারের সাথে।যখন যুগল পেঁচা সবুজ চোখ মেলে.আধাঁরে বিস্ময় খোঁজে সৃষ্টির আড়ালে। দেখি নীলাভ দুটি চোখ তার,স্বচ্ছ জলের ন্যায় শরীর . চুপে হাওয়া এসে বলে গেল ,-  “এই মানবী নয় এ পৃথিবীর।....অত:পর "'. স্বচ্ছ তার জলের মত শরীরের রহস্য জানতেই.পৃথিবীতে এসেছিল প্রথম ভোর ......কত আগে তারে ভালবেসেছিলাম.আজ আর তা মনে নেই। গোপনে গোপনে কত অনুভূতি.জন্মেছিল তোমার জন্য! মনে নেই।কবে খেলার ছলে আধাঁরের বুক চিরে.এক টুকরো আলো বের করে এনেছিলাম !ঘুম গিয়েছিল ভেঙে,হেমন্ত নক্ষত্রের রাতে,,অনেক পুরনো সে রাত।সে রাতে পূর্নিমা ছিল কিনা . . . . . . . . . মনে নেই।তবু সেইসব দিনরাত্রির ঘ্রান লেগে আছে বুকে....যেইসব দিন তার মুখ দেখা হত .............ঝরে গেছে সময় ঘাস মাটির উপর,সুর্যাস্তের শেষ রং মুছে দিয়ে শেষ পাখি ফিরে গেছে নীড়ে।হয়ত সে ও আমাকে ভালোবেসেছিল;,আজ ও বাসে !তবু কেউ আমায় মনে রাখেনি।শেষ বিকেলের নরম রোদের মত..তার দেহের ঘ্রাণও মুছে গেছে এ প্রাণ থেকে

Saturday, November 10, 2012

Heart হৃদয়ের


হৃদয়ের প্রাঙ্গণে উপচে পড়া ঢেউ

 জানি শুধু আমি ,না আমি ছাড়া কেউ ।

কচ্ছপ নিদ্রা ভাঙ্গে না তোমার , না যায় তন্দ্রা টুতে

বুঝনা কিছুই তুমি , হাঁসির গোলাপ ফুটে 


Heart will burst wave

I just do not know , except that I do not .I bhange not

 sleep turtle , do not snooze tute

Bujhana nothing to do , hamsira rose very





চিন্তার বর্হি প্রকাশ

পাখি উড়ে গেলেও পলকফেলে যায় আর মানুষচলে গেলে ফেলে রেখে যায়স্মৃতি ।
--------- হুমায়ূন আহমেদ


ঈশ্বর যদি কাউকে মারতে চান তাহলে কি তার কোন আয়োজন করার প্রয়োজন আছে ? তাহলে মরতে কিসের ভয় , একবারই তো মরতে হবে ।----------- হুমায়ূন আহমেদ


চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে...ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে..-------- হুমায়ূন আহমেদ


ভালবাসাবাসির ব্যাপারটা হাততালির মতো। দুটা হাত লাগে। এক হাতে তালি বাজে না। অর্থাৎ একজনের ভালবাসায় হয় না......
--------হুমায়ূন আহমেদ


হারিয়ে যাওয়া মানুষ ফিরে আসলে সে আর আগের মত থাকে না….. কেমন জানি অচেনা অজানা হয়ে যায় । সবই হয়তো ঠিক থাকে কিন্তু কি যেন নাই…… কি যেন নাই……--------হুমায়ূন আহমেদ


আমার হারিয়ে ফেলার কেউ নেই । কাজেই খুঁজে পাওয়ারও কেউ নেই । আমি মাঝে মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলি , আবার খুঁজে পাই..------হুমায়ূন আহমেদ


"যে স্বপ্ন দেখতে জানে ,সে তা পূর্ণও করতে পারে"আমরা মনে হয় স্বপ্ন দেখাই ভুলে গেছি...আর যেটুকুই বা দেখি তা নিজেরাই বিশ্বাস করতে চাই না...তাই পূর্ণও করতে পারি না।--------হুমায়ূন আহমেদ


নারীদেরকে সৃষ্টিকর্তা পূর্ণতা দিয়েই পাঠিয়েছেন । শুধু পূর্ণতাই না অতিরিক্ত দিয়ে দিয়েছেন। তাই তো আমরা ‘অপূর্ণ পুরুষ’ পূর্ণ হতে এই নারীদেরই প্রয়োজন হয়.------হুমায়ূন আহমেদ


তুমি দশটি সত্য এর মাঝে একটি মিথ্যা মিশিয়ে দাও…সেই মিথ্যাটিও সত্য হয়ে যাবে…কিন্তু তুমি দশটি মিথ্যার মাঝে একটি সত্য মিশাও… সত্য সত্যই থেকে যাবে….সেটি আর মিথ্যা হবে না…সত্য আসলেই সুন্দর…--------হুমায়ূন আহমেদ


নোংরা কথা শুনতে নিষিদ্ধ আনন্দ আছে, কথা যত নোংরা তত মজা।-----------হুমায়ুন আহমেদ


যাদের জীবনে মজার অংশ কম …তারা অন্যের মজা দেখে আনন্দ পায় …দুধের স্বাদ ভাতের মাড়ে মেটানোর মত.------------হুমায়ুন আহমেদ
 
“গার্লফ্রেন্ড বিহীন তরুনের পৃথিবীতে বেঁচে থাকা,ঘাসবিহীন মাঠে গরুর পায়চারির মত”----------হুমায়ুন আহমেদ


জীবনটা আসলেই অনেক সুন্দর!এতো বেশি সুন্দর যে, মাঝে মাঝে অসহ্য লাগে।----------হুমায়ুন আহমেদ


ছেলে এবং মেয়ে বন্ধু হতে পারে,কিন্তু তারা অবশ্যই একে অপরের প্রেমে পড়বে।
হয়ত খুবই অল্প সময়ের জন্য, অথবা ভুল সময়ে।কিংবা খুবই দেরিতে, আর না হয় সব সময়ের জন্য।
"পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নাই।"..............হুমায়ুন আহমেদ


এ জগতে সবচে' সুখী হচ্ছে সে, যে কিছুই জানে না।জগতের প্যাঁচ বেশি বুঝলেই জীবন জটিল হয়ে যায়................হুমায়ুন আহমেদ


অনুশোচনার হাড়ি নিয়ে বসলেও অতীতকে বদলানো যাবে না------------হুমায়ূন আহমেদ
সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, তোমাকে শুধু এমন একজনকে খুঁজে নিতে হবে যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্যকরতে পারবে....-------- হুমায়ূন আহমেদ


যে মানুষটিকে তুমি দেখছো তাকেই যদি ভালো না বাসতে পারো,তবে তুমি কিভাবে ঈশ্বরকে ভালোবাসবে যাকে তুমি কোনদিন দেখোই নি?-------- হুমায়ূন আহমেদ


স্বপ্ন থাকা খুবই জরুরি...স্বপ্ন না থাকলে ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠার কোনো মানেই হয় না...সারা জীবন শুয়ে থাকলেই তো হয়...-------- হুমায়ূন আহমেদ


মানুষই একমাত্র প্রাণী যে পুরোপুরি সফল জীবনযাপন করে আফসোস নিয়ে মৃতবরণ করে..------------ হুমায়ূন আহমেদ
 
কোন কোন রাতে অপূর্ব জোছনা হয়। সারা ঘর নরম আলোয় ভাসতে থাকে। ভাবি, একা একা বেড়ালে বেশ হতো।আবার চাদর মুড়ি দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে ফেলি। যেন বাইরের উথালপাথাল চাঁদের আলোর সঙ্গে আমার কোন যোগ নেই।মাঝে মাঝে বৃষ্টি নামে। একঘেয়ে কান্নার সুরের মতো সে শব্দ।আমি কান পেতে শুনি। বাতাসে জাম গাছের পাতার সরসর শব্দ হয়। সব মিলিয়ে হৃদয় হা হা করে উঠে।আদিগন্ত বিস্তৃত শূন্যতায় কি বিপুল বিষণ্ণতাই না অনুভব করি। জানালার ওপাশের অন্ধকারথেকে আমার সঙ্গীরা আমায় ডাকে। একদিন যাদের সঙ্গ পেয়ে আজ নিঃসঙ্গতায় ডুবছি ...-------হুমায়ূন আহমেদ

Thursday, November 8, 2012

কথা

দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে-১ম বন্ধু : তোর রোল কত?২য় বন্ধু : আমার রোল আটানব্বই। তোর রোল কত?১ম বন্ধু : আমার রোল ময়দানব্বই।২য় বন্ধু : দুর মিয়া। ময়দানব্বই কারও রোল হয় নাকি?১ম বন্ধু : তোর রোল আটা হলে আমার রোল ময়দা হবে না কেন বল!

Saturday, November 3, 2012

গুড Bye Kiss


                                 গুড Bye Kiss  
                        Kiss Good Bye

আমি জানতাম কয়েক সপ্তাহ তার. আমি ছিল 17. ইয়াং, নির্বোধ এবং রোমান্টিক. আমি বড় সামাজিক জীবন কি ছিল যে সময়ে না. কখনও কখনও, পার্টি এখানে - সেখানে. একটি লাইভ সঙ্গীত সঙ্গে কয়েক পাবস আমার শহর ছিল সাধারণত উইকএন্ডে খোলা. ডিস্কো এবং পপ সঙ্গীতের বাছাই - 80 এর. একটি নির্দিষ্ট উপায়, একটি উপায় মধ্যে নাচ, যাও ইস্ত্রি করা এবং তাদের মত আচরণ করে অন্যথায় এক সংযোগ সুযোগ ছিল না ছিল. সাধারণত, আমি প্রাচীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে, danced একা বা পদচারণা কেবল কাছাকাছি সময় বধ. 

এটা ছিল একটি সপ্তাহান্তে যখন আমি ছবি যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে. আমি পাব গিয়েছিলাম কিছু নিঃসঙ্গ ঘন্টা কাটিয়েছি. তিনি তার বন্ধুদের সঙ্গে সেখানে ছিল নাচ - সব আনন্দময়. তিনি বাজে মতো লাগছিল কিন্তু আমি স্যাটেলাইট যে তিনি উন্নত সমাজ থেকে এসেছেন. শুধু তার mannerisms উপায় এবং তিনি প্রায় সরানো. কিছু তার সম্পর্কে গভীর ছিল. তিনি এটিতে সব রামধনু রং সঙ্গে সংক্ষিপ্ত চুল বাঁধা ছিল না. তিনি দীর্ঘ রক্তবর্ণ স্টকিংস এবং ভারী লাল জুতা, শর্ট স্কার্ট এবং লাল লেদার জ্যাকেট পরতেন. হাতে কোন আঙ্গুল দিয়ে গ্লাভস ছিল সব. আমি যখনই আমি তার দিকে তাকিয়ে পারে, কিন্তু আমি হিসাবে আমি খেয়াল করা চেয়েছিলেন কখনও গোপন ছিল. 

সাধারণত এটি যে ভালো ছিল - কয়েক দ্রুত নাচ, সবাই ক্ষিপ্ত, মোট অবসাদ এবং বিরতি, কিছু ধীর আপনি them.There সঙ্গে কারো এবং নৃত্য দখল করতে পারে একটি মন্থর নাচ এসেছিলেন যাচ্ছে. আমি একটি কোণে দাঁড়িয়ে ছিল - শুধু সবচেয়ে পরিত্যক্ত কখনও এক, সব অন্ধকার এবং ভুতুড়ে. এটি ছিল মহান এমনকি কেউ লক্ষ্য করেছি যে, আমি অস্তিত্ব. তিনি আমার দিকে marched. আমি dreaming ছিল. এটা ছিল সবচেয়ে ভাল সময় চালানোর কিন্তু এটি ঘটেছে যাতে দ্রুত যে আমি বিস্মিত এবং freaking কোণ থেকে ছিল না কোন পথ ছিল. 

তিনি আমার সামনে হাজির, লাগছিল কখনও বৃহত্তম অভাগা এসে বলে, "আপনি এ সম্পর্কে বেশি উজ্জ্বল হয়েছে." আমি কিছু উজ্জ্বল তার হাঁটু তার ড্রপ সঙ্গে চলে আসে, কিভাবে স্মার্ট ছিল এবং আমি সবকিছু দেখাতে চেষ্টা করেছেন, কিন্তু আমি শুধুমাত্র, কহা পারে "Meee?" "হ্যাঁ," তিনি বলেন. "সব সময়. আমি এখন যাব. Am আমার সাথে আপনি বরাবর আসা? চান" তিনি আমার হাতে নেন এবং আমাকে টেনে বাইরে. 


আমরা গিয়েছিলাম এবং পদচারণা. তিনি তার জীবন, তার অনুভূতি, অন্যান্য গ্রহের জীবন, তার স্বপ্ন সম্পর্কে কথা বলা ... আমি শোনা ছিল. আমি এক বড় কান কিছু বলার চেষ্টা করছেন কিন্তু আমি না করতে পারে. এটা ছিল প্রশংসনীয় খারাপ. আমি অনুভব করলাম ক্ষমতাহীন. মাতাল আমি ভালো অনুভূত. আমি কিছু খুঁজে না পারে - এমনকি দূরবর্তী অবস্থান থেকে তার সৌন্দর্য বন্ধ. আমি কিছু বলতে পারে না. আমি এটি am ক্ষতিকারক কিন্তু ... 

"আপনি বিভিন্ন," তিনি বলেন এবং যোগ করেছেন, "আপনি ছাইপাঁশ কথা বলবেন না. আমি যে চাই." 


তিনি ব্যালে স্কুল ছিল. নাচ ছিল তার জীবন. সে আমাকে দেখিয়েছে. তিনি আমার সাথে নাচ চেষ্টা. আমি অনুমান হস্তী ভাল হতে পারে. তিনি হাসতে হাসতে এবং এটি সম্পর্কে হাস্যময় ছিল. তিনি খুশি তাই যখন আমি বজায় রাখা চেষ্টা ছিল. 

"চিন্তা করবেন না," বলেন তিনি. "আমি আপনাকে শেখান কিভাবে নাচ. আমি আপনি কিভাবে এটা মনে করা হবে." 

আমরা প্রায় প্রতিদিন সাক্ষাৎ হয়. সে জায়গা ছিল চয়নের. Abandoned ঘর, পুরানো সেতু, লুকানো উদ্যান. তিন সপ্তাহ পর সে সৈকতে সম্পর্কে নেন. আমরা যখন জন্য ছিল সেখানে siting. 

তারপর তিনি বলেন, "আমি এই বয়স্ক মানুষ am এইজন্য. তিনি আমাকে ছাড়তে চাইছিল না করা." তিনি সম্পর্কে kissed এবং বাকি. আমি চিন্তা এখন মরা ভাল উপায় এখন যান. আমি সমুদ্রে গিয়েছিলাম কিন্তু জল ছিল, তাই ঠান্ডা. আমি স্থগিত এবং আমি আবার দেখেছি তার না. 

Friday, November 2, 2012

প্রেমের স্বীকারোক্তি


আপনি আপনার সম্পর্কে উদর যাও স্পর্শ জিজ্ঞাসা .আপনি আমার ফিরে আঁচড়ের দাগ .বাহ , দু: খিত , এবং হৃদয়গ্রাহী .আমাদের বিভিন্ন স্থানে তিনটি বিভিন্ন গল্প সঙ্গে চুম্বন .

Saturday, April 21, 2012

প্রেমপত্র

বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা সবসময় রাতের সঠিক পূর্বাভাস দেয় না! যেমন হয়তো আমি দিতে পারিনি। তোমাকে প্রথম কখন দেখেছি এটা আমার কাছে একটা অমীমাংসিত রহস্য। অনেক ভেবেও কূলকিনারা করতে পারিনি। অপেশাদার গোয়েন্দার মতো শুধু ঘুরপাক খেয়েছি ছোট্ট সূত্র সন্ধানে। তবে মনে আছে মানবীয় সৌন্দর্যের উর্ধ্বে এক আশ্চর্য মোহনীয়তায় তোমার ছবির দিকে তাকিয়ে ছিলাম। বিশেষণের বাইরে কোন অদ্ভুত অনুভূতির সুতীব্র উচ্ছ্বাসে ডানা মেলেছিলাম সফেদ অ্যালবাট্রসের মতো।

বৃত্তের পরিধিতে থেকে কেন্দ্র সন্ধান অনেক সময়ই মিছে চেষ্টা, বিশেষত যখন স্পর্শ সক্ষমতার অনেক বাইরে তার অবস্থান হয়। আমি শুধু তোমার দিকে তাকানোর পণ করেছিলাম। ঋষি সুলভ গাম্ভীর্য নিয়ে নিষ্কাম পর্যবেক্ষণ!

মন থেকে চাইলে নাকি ঈশ্বর নিজেই আবির্ভূত হন স্বকীয় মহিমায়। আমি ঈশ্বরকে চাইনি। চেয়েছিলাম তোমাকে। তোমার কাজল চোখের কাব্য আমার পড়া শ্রেষ্ঠ কবিতার বিস্ময়ানুভূতি ঘুচিয়ে হৃদয়ে অস্তিত্বের সুতীব্রতায় চিরস্থায়ী চেনা জানালায় দেখা চেনা আকাশের মতো। আমার হয়নি কখনো এমন!

তারপরের সব তোমার জানা। সেপ্টেম্বরের সেই প্রারম্ভের পর কেটেছে অনেক বেলা। ফেসবুকের মেসেজ বক্সে একটু একটু করে আমার ভালবাসার অংকুরোদগম হয়েছে। স্কাইপে তোমার হাসির ঝংকারে আমার চেনা সব সুর মিথ্যে হয়ে মোজার্টের সোনাটার চেয়ে মূর্ত অলৌকিকতার জন্ম দিয়েছে। কিউপিড-সাইকির গল্প আমার ক্লান্তিতে জীবিত স্বপ্নের মতো তোমার আঙুল ছুঁয়ে ঘুমুতে গেছে নির্দ্বিধায়। গাঢ় ঘুমের নির্লিপ্ততায় তুমি এসেছো অনেকবার, অনাবিষ্কৃত হৃদয়ের প্রতি ইঞ্চি ভূমিতে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেতে!

আমি জানি এসবের কিছুই তোমার অজানা নয়। হয়তো নতুন করে জানতেও চাওনা। তোমার মেসেজ দেখেছি সন্ধ্যেবেলা। বৃষ্টি পরবর্তী গুমোট সময়ে। তারপর আমার কেটেছে টিএসসির চারপাশে। মুঠোতে চায়ের কাপ আঁকড়ে একে একে নীলাভ ধোঁয়ার বৃত্ত বানিয়ে আমি মগ্ন ছিলাম উত্তর সন্ধানে। অশ্বত্থ গাছের নিচে গৌতমের ধ্যান তাকে বুদ্ধের জ্যোতিতে উদ্ভাসিত করেছে। আমার ভালোবাসার অক্ষম আকাশে না জানি কী আছে!

আমি জানি বয়সের তারতম্যের কথা। স্নাতকত্বের চৌকাঠে পা রাখা আমার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা। হলের অপ্রশস্ত কক্ষে দিন যাপনের কথা। যাপিত জীবনের সব সীমাবদ্ধতাগুলো তখন আমার চোখে বাইবেলের গোলিয়াথের মতো সুউচ্চ রূপ নিয়ে আমাকে দেখিয়ে দিচ্ছিল আমার সব ক্ষুদ্রতা, আমার অক্ষমতা।

জানি তুমি সুন্দর, আমার আগে পরে অনেকে তোমাকে তোমাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছে,হবে। তাদের মতো করে হয়তো বলতে পারব না কখনো। তবে, বলব আমার ভালোবাসা অনন্য। আমার সমস্ত সামর্থ দিয়ে তোমাকে আগলে রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। তোমার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আমার অনুভূতির প্রকাশিত/অপ্রকাশিত ছন্দোময়তায় তোমাকে ভালোবাসার শপথ করছি। শুধু চাইছি তোমার ভালোবাসা। চাইছি তোমাকে।

আমি জানি ভালোবাসা এত সোজা নয়। সাময়িক আবেগ বলেও উড়িয়ে দিয়েছেন অনেকেই। ফ্রয়েডের তত্ত্ব তো অতিসরলীকৃত করে উড়িয়ে দিয়েছে আকাঙ্ক্ষিত এই বন্ধনকে। আজ অনেক কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। অনেক ভেবেছি। বারবার কী বোর্ডে হাত দিয়েও সরিয়ে নিয়েছি অজানা আশঙ্কায়! দুরু দুরু বুকের কম্পন আমি ঠিক সহ্য করতে পারিনা। আমার শ্বাসকষ্ট হয়। আজ ঘুমুতে যাব এমনই এক অসংলগ্নতায়।

আমি তোমাকে ভালোবাসি। ভালবাসিগো সুনয়না।

Tuesday, November 1, 2011

মেয়েদের কিছু আচরণ:

 মেয়েদের কিছু আচরণ: 


১। মেয়েদেরকে কখনও প্রশ্ন করতে হয় না। 
২। যাত্রাপথে অচেনা সুন্দরী মেয়েদের সাথে কথা বলতে হয় না।
৩। কোন মেয়েকে হাসাতে পারলে তার সাথে সব কিছু করা যায়।
৪। মেয়েরা যখন ভালোবাসার কথা বলে তখন তারা হিন্দি ভাষায় কথা বলে। যখন ব্রেক আপ করে তখন ইংরেজিতে কথা বলে।
৫। কোন মেয়ে যদি কাউকে ভালোবাসে তবে, তার জন্য সে সব কিছু করতে পারে।
৬। অতি চালাক মেয়েদের কপাল খুব খারাপ।
৭। তারা নিজেদের খুব বুদ্ধিমান ভাবে।কিন্তু আসলেই তারা অনেক বোকা।
৮।যদি কোন মেয়ে কারো চেয়ে বেশি জানে এবং তাকে যদি সম্মান করে, তবে তাকে সারা জীবন সম্মান করে।
৯। কোন মেয়ে যদি কোন ছেলেকে বলে I Hate You তাহলে মেয়েটি ছেলেটিকে অনেক ভালোবাসে।
১০। মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে শিক্ষকদের কথা বেশি শোনে এবং তাদের সম্মান করে।

Wednesday, May 11, 2011

আমি শিখেছি


আজ তোমায় কিছু বলবো না আমি
বাতায়ন পানে চাহি যেয়ো নাকো তুমি।
আমি বাতাসের কাছে হাঁসতে শিখেছি
আকাশের কাছে উদারতা,
আমি মেঘের কাছে কাঁদতে শিখেছি
বনের কাছে গোপনতা।

আজ তোমায় কিছু বলবো না আমি
বাতায়ন পানে চাহি যেয়ো নাকো তুমি।
আমি নদীর কাছে চলতে শিখেছি
সাগরের কাছে গভীরতা,
আমি পাহাড়ের কাছে দাড়াতে শিখেছি
ঝর্নার কাছে চপলতা।

আজ তোমায় কিছু বলবো না আমি
বাতায়ন পানে চাহি যেয়ো নাকো তুমি। 

Thursday, January 27, 2011

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফিক্সচার


Match
Date
Teams
Venue
1
19-Feb
India vs Bangladesh
Dhaka
2
20-Feb
New Zealand vs Kenya
Chennai
3
20-Feb
Sri Lanka vs Canada
Hambantota
4
21-Feb
Australia vs Zimbabwe
Ahmedabad
5
22-Feb
England vs Netherlands
Nagpur
6
23-Feb
Pakistan vs Kenya
Hambantota
7
24-Feb
South Africa vs West Indies
New Delhi
8
25-Feb
Australia vs New Zealand
Nagpur
9
25-Feb
Bangladesh vs Ireland
Dhaka
10
26-Feb
Sri Lanka vs Pakistan
Colombo
11
27-Feb
India vs England
Kolkata
12
28-Feb
West Indies vs Netherlands
New Delhi
13
28-Feb
Zimbabwe vs Canada
Nagpur
14
1-Mar
Sri Lanka vs Kenya
Colombo
15
2-Mar
England vs Ireland
Bangalore
16
3-Mar
South Africa vs Netherlands
Mohali
17
3-Mar
Pakistan vs Canada
Colombo
18
4-Mar
New Zealand vs Zimbabwe
Ahmedabad
19
4-Mar
Bangladesh vs West Indies
Dhaka
20
5-Mar
Sri Lanka vs Australia
Colombo
21
6-Mar
India vs Ireland
Bangalore
22
6-Mar
England vs South Africa
Chennai
23
7-Mar
Kenya vs Canada
New Delhi
24
8-Mar
Pakistan vs New Zealand
Pallekelle
25
9-Mar
India vs Netherlands
New Delhi
26
10-Mar
Sri Lanka vs Zimbabwe
Pallekelle
27
11-Mar
West Indies vs Ireland
Mohali
28
11-Mar
Bangladesh vs England
Chittagong
29
12-Mar
India vs South Africa
Nagpur
30
13-Mar
New Zealand vs Canada
Mumbai
31
13-Mar
Australia vs Kenya
Bangalore
32
14-Mar
Pakistan vs Zimbabwe
Pallekelle
33
14-Mar
Bangladesh vs Netherlands
Chittagong
34
15-Mar
South Africa vs Ireland
Kolkata
35
16-Mar
Australia vs Canada
Bangalore
36
17-Mar
England vs West Indies
Chennai
37
18-Mar
Sri Lanka vs New Zealand
Mumbai
38
18-Mar
Ireland vs Netherlands
Kolkata
39
19-Mar
Australia vs Pakistan
Colombo
40
19-Mar
Bangladesh vs South Africa
Dhaka
41
20-Mar
Zimbabwe vs Kenya
Kolkata
42
20-Mar
India vs West Indies
Chennai
43
23-Mar
First Quarterfinal
Dhaka
44
24-Mar
Second Quarterfinal
Colombo
45
25-Mar
Third Quarterfinal
Dhaka
46
26-Mar
Fourth Quarterfinal
Ahmedabad
47
29-Mar
First Semifinal
Colombo
48
30-Mar
Second Semifinal
Mohali
49
2-Apr
FINAL
Mumbai


http://www.icccwc2011.kyazoonga.com/tickets/icc-cricket-world-cup-2011-schedule/