Sunday, July 24, 2016

ঘুম থেকে উঠে অবশ্যই এক গ্লাস হালকা গরম পানি খান


ঘুম থেকে উঠে অবশ্যই এক গ্লাস হালকা গরম পানি খান


সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে অনেকেই ধূমায়িত এক কাপ গরম চা খান। কেউ আবার সকালে উঠেই এক বোতল ঠাণ্ডা পানি ঢেলে দেন গলায়। কিন্তু জানেন কি, গরম চা-কফি বা ঠাণ্ডা জল নয়, সকালবেলা এক গ্লাস হালকা গরম পানি খেলে দৈনন্দিন বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন আপনি।








বয়স: প্রিম্যাচিওর এজিংকে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে হালকা গরম পানি। সকালে এক গ্লাস পানি শরীরের বিষাক্ত সঞ্চিত উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দেয়। ফলে ত্বক সতেজ দেখায়।



ব্যথা: অনেক সময় তলপেটের ব্যথা, মাসল ক্র্যাম্প কমাতে দারুণ সাহায্য করে ঈষদুষ্ণ পানি।
ওজন: গরম পানি দেহের মেটাবলিক রেট বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি বার্ন করতে এর জুড়ি মেলা ভার।
হজম শক্তি: বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও রোজ সকালে খেতে পারেন ঈষদুষ্ণ পানি। ঠাণ্ডা পানি খাবারের তেল এবং ফ্যাটকে জমিয়ে দেয়। কিন্তু গরম পানি ফ্যাটকে হজম করতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য: সকালের ঈষদুষ্ণ গরম পানি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়।
ঘুম: শুধু সকালেই নয়, খাওয়ার পর বা বিছানায় ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস হালকা গরম পানি খেলে দেহের স্নায়ু এবং পেশিগুলি রিল্যাক্স হয়। ফলে ঘুম ভাল হয়।
রক্ত চলাচল: ঈষদুষ্ণ পানি খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়।
সর্দি: মৌসুম পরিবর্তনের সময় ঠাণ্ডা লাগা থেকে বাঁচতে ঈষদুষ্ণ পানির বিকল্প নেই। হাঁচি, কাশি, সর্দির মতো রোগে উপশম দেয় গরম পানি।















তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

ওষুধের সাথে যেসব খাবার ভুলেও খাবেন না



ওষুধের সাথে যেসব খাবার ভুলেও খাবেন না

অ্যান্টিবায়োটিক আর দুধ যে একসাথে খাওয়া ঠিক নয়, সেকথা অনেকেই জানেন৷ তবে এবার জেনে নিন এমন আরো অনেক ওষুধ ও খাবারের কথা, যেগুলো একসাথে খেলে শরীরেরে উপকার না হয়ে ক্ষতিও হতে পারে।
গ্রেপফ্রুট আর ট্যাবলেট একসাথে নয়  










ওষুধকে পুরোপুরি কাজে লাগতে গ্রেপফ্রুট বা স্বাদে টক, বড় কমলাজাতীয় ফলের ভেষজ উপাদান অন্ত্র বা পেটের এনজাইমকে দমন করে বা বাধা দেয়। তাই ওষুধের সাথে গ্রেপফ্রুট না খাওয়াই স্রেয়। অর্থাৎ চিকিৎসা চলাকালীন গ্রেপফ্রুটকে একেবারে দূরে রাখুন।
কফি বা চায়ের সাথে আয়রন ট্যাবলেট নয়
আয়রন ট্যাবলেটের কাজ হচ্ছে অন্ত্রের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করা। কিন্তু এই ট্যাবলেটের সাথে যদি চা বা কফি পান করা হয়, তাহলে তা মুত্রের মাধ্যমে তাড়াতাড়ি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়৷ ফলে আয়রন ট্যাবলেটের উপকারিতাও কমে যায়৷ তাই রক্তস্বল্পতার কারণে যারা আয়রন ট্যাবলেট খান, তারা অবশ্যই ট্যাবলেট সেবনের দু’ঘণ্টা আগে অথবা পরে চা বা কফি পান করবেন৷
রক্তের ঘনত্ব কমানোর ওষুধের সাথে সবুজ সবজি নয়
ব্রকোলির মতো সবুজ সবজি বা সালাদে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’, যা রক্ত জমাট না বাঁধতে সাহায্য করে৷ তবে যারা রক্তের ঘনত্ব কমাতে, বিশেষ করে পা ফুলে যাওয়ার জন্য ওষুধ খান, তাদের বলছি, সেসব ওষুধের সাথে সবুজ সবজি খেলে ওষুধের উপকারিতা কমে যায়।
অ্যান্টিবায়োটিক আর দুধ একসাথে নয়!
অ্যান্টিবায়োটিকের বিশেষ কিছু উপাদান ক্যালশিয়ামের সাথে মিশে দানা বা জট হয়ে যায়৷ ফলে তা পেটের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করতে পারে না৷ তাই অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে দুধ খাওয়া উচিত নয়৷ তবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার দু’ণ্টা আগে বা পরে দুধ পানে বাধা নেই৷
রেডিমেড মাংসের সাথে ডিপ্রেশনের ওষুধ নয়
তৈরি মাংসের খাবারে, যা মূলত পশ্চিমা বিশ্বেই বেশি পাওয়া যায়, থাকে প্রচুর পরিমাণে টিরামিন৷ তাই যারা বিষণ্ণতায় ভোগেন তাদের চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে এ সব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো৷ কারণ তা সুস্থ হওয়া দীর্ঘায়িত করে এবং এতে উচ্চরক্তচাপও হতে পারে।
চিপসের সাথে ‘কর্টিসোন’ নয়
কর্টিসোন হলো এক ধরণের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিনিঃসৃত হরমোন৷ যখন কেউ কর্টিসোন সেবন করবেন, তখন কোনোভাবেই তার সঙ্গে চিপস খাবেন না, বিশেষ করে কর্টিসোন ওষুধটি যদি ত্বকের সমস্যার জন্য হয়ে থাকে৷ কারণ কর্টিসোনে থাকা ন্যাট্রিউম পেট ব্যথা ও গলা ব্যথার কারণ হতে পারে।
সেরিয়ালের সাথে ‘প্যারাসিটামল’ খাবেন না
সেরিয়াল বা বিভিন্ন দানায় থাকা আঁশ ব্যথার ওষুধকে ভালোভাবে কাজ করতে তো দেয়ই না, বরং বাঁধার সৃষ্টি করে৷ অর্থাৎ পেট বা অন্ত্রকে দমন করে থাকে সেরিয়াল৷ তাই শষ্যদানা, আঁশ জাতীয় খাবার কোনো ব্যথার ওষুধের সাথে খাবেন না, কেমন?
অ্যাজমার ওষুধ আর গোলমরিচ একসাথে নয়
যারা অ্যাজমা বা হাঁপানির ওষুধ সেবন করেন, তাদের গোলমরিচ না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ৷ কারণ গবেষণায় বলছে, গোলমরিচের ঝাঁঝ অ্যাজমার ওষুধের কর্মক্ষমতা কমিয়ে তার গতিও ধীর করে দেয়৷ তাই যাদের হাঁপানি আছে, তারা গোলমরিচ এড়িয়ে চলুন।
পরামর্শ
যে কোনো ওষুধ সেবন করার আগে ওষুধের ভালো-মন্দ দিকগুলো ডাক্তারের কাছে জেনে নিন এবংওষুধের সাথে থাকা ছোট্ট তথ্যপুস্তিকাটি ফেলে না দিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন৷ ওষুধ সুস্থ করবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু তার পাশ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানুন৷ আপনার খাদ্যাভ্যাস যেন আপনার চিকিৎসার পথে বাধা সৃষ্টি না করে৷ এদিকে নজর রাখলেই তাড়াতাড়ি ও পুরোপুরি সুস্থ হওয়া সম্ভব।

















তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

Friday, July 22, 2016

কুকুর কামড়ালে কি সত্যিই পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়?



কুকুর কামড়ালে কি সত্যিই পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়?





আমাদের মধ্যেই অনেকেই কুকুর ভয় পান। আর এই ভয়ের অন্যতম কারণ হচ্ছে কুকুর কামড়ালে যে ভয়াবহ জলাতঙ্ক। আবার র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুর মানুষকে কামড়ালে আর সময়মতো চিকিৎসা না করালে পরিণাম হয় মৃত্যু। র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুরকে সাধারণ লোকজন পাগলা কুকুর বলেই জানে। প্রকৃতপক্ষে এই পাগল আচরণের জন্য দায়ী র‍্যাবিস। র‍্যাবিস—র‍্যাবডোভাইরাস গ্রুপের আরএনএ ভাইরাসজনিত রোগ। র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুরের মধ্যে কোনো কিছুকে কামড়ানোর প্রবৃত্তি জেগে ওঠে, ঝাঁপ দিয়ে কোনো কিছু ধরতে চায় এবং গিলে খেতে সাহায্যকারী মাংসপেশিগুলোর সংকোচন হতে থাকে।

এতে তৃষ্ণা পেলেও পানি পান করা সম্ভব হয় না। তাই হয়তো র‍্যাবিসের অন্য নাম জলাতঙ্ক। কাজেই কুকুর থেকে সাবধান থাকা ভালো। কিন্তু কুকুর কামড়ালে মানুষের পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়—এ ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। কুকুরের কামড় থেকে পেটে কুকুরের বাচ্চা হওয়া অসম্ভব ব্যাপার। এমনকি কখনো হয়েছে বলে শোনা যায়নি। তার পরও এ ধরনের একটি ভ্রান্ত বিশ্বাস প্রচলিত আছে।

সম্ভবত কুকুর সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বনের স্বার্থে এ ধরনের কথার প্রচলন হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ভয় দেখানোর জন্য বিশেষ করে এবং তারা যাতে কুকুর থেকে দূরে থাকে, এ জন্যই হয়তো এ রকম ভ্রান্ত কথার প্রচলন হয়েছে। তবে কথাটির প্রচলন যে কারণেই হোক, এটি ঠিক নয়। কুকুর কামড়ালে পেটে বাচ্চা হয় না এবং বাচ্চা হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। তবে কুকুর কামড়ালে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

‘এটিএম’ থেকে টাকার পরিবর্তে মিলবে মাতৃদুগ্ধ!


‘এটিএম’ থেকে টাকার পরিবর্তে মিলবে মাতৃদুগ্ধ!






এটিএম থেকে টাকার বদলে দুধ বেরোচ্ছে, এরকম কি কখনও শুনেছেন? এবার এটাই হতে চলেছে। ‘এটিএম’ থেকে টাকা নয়, বেরোতে চলেছে মায়ের দুধ। এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে একটি মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার।
সদ্যোজাত ও প্রিম্যাচিওর বেবির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে যাতে ঘাটতি না পড়ে, সেকারণেই এই উদ্যোগ নিয়েছে পুদুচেরীর জহরলাল ইনস্টিটিউট অফ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ। হাসপাতালে তারা একটি মিল্ক ব্যাঙ্ক তৈরি করেছে। যার নাম দিয়েছে ‘আমুধাম থাইপ্পাল মাইয়াম’ বা সংক্ষেপে 
‘ATM’।
breast-milk-story

এই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে শুধুমাত্র স্তন্যদুগ্ধ সংরক্ষণই নয়। সদ্য প্রসূতিদের মধ্যে স্তন্যপান সম্বন্ধে প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও সচেতনতারও প্রসার ঘটানো হবে।
Screenshot_7


JIPMER-এর নির্দেশেক এস সি পারিজা জানিয়েছেন, প্রতি মাসে সেখানে ১৫০০ বাচ্চার জন্ম হয়। যার মধ্যে ৩০ শতাংশ বাচ্চাই হয় হয় অপুষ্টিতে ভুগছে, নয়তো প্রিম্যাচিওর। আর তাই তাদের এই উদ্যোগ। টাইমস অফ ইন্ডিয়া











তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

শিশুকে স্তন্যপান করান? তবে এই ১০ খাবার অবশ্যই খাবেন না



শিশুকে স্তন্যপান করান? তবে এই ১০ খাবার অবশ্যই খাবেন না






সন্তান জন্মের পর প্রায় সব মায়েরাই নিজের স্বাস্থ্য, খাওয়া-দাওয়ার দিকে খেয়াল রাখেন না। শিশুকে স্তন্যপান করানো, ঘুম পাড়ানো, গোসল করানো, ডায়াপার বদলানোই তখন সারা দিনের রুটিন। তবে জানেন কি ব্রেস্টফিডিং করাতে গেলে নিজের খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি? এই সময় ডায়েটে কোন খাবার রাখবেন, কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন সেটা জেনে রাখা প্রয়োজন। জেনে নিন কোন খাবারগুলো এই সময় এড়িয়ে চলবেন।
কফি: এই সময় বেশি কফি খেলে আপনার দুধের সঙ্গে মিশতে পারে ক্যাফেইন। যা শিশুর পক্ষে ক্ষতিকারক।
সামুদ্রিক মাছ: সি ফুডে পারদের পরিমাণ বেশি থাকে। যা আপনার দুধকে বিষাক্ত করে তুলতে পারে।
চকোলেট: পুরোপুরি না ছাড়লেও কম খান। কারণ চকোলেটে ক্যাফেইন থাকে।
পার্সলে বা পুদিনা: এই শাকগুলো আবার দুধের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। ফলে আপনার শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে।
দুগ্ধজাত খাবার: ব্রেস্টফিডিং-এর সময় দুগ্ধজাত খাবার শিশুর ত্বকে ইনফেকশন হতে পারে।
অ্যালকোহল: এই সময় মদ্যপান করলে আপনার দুধে অ্যালকোহলের উপস্থিতি শিশুর স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।
সাইট্রাস ফল: লেবু জাতীয় ফল খেলে শিশুর হজমের সমস্যা হতে পারে। র‌্যাশও হতে পারে।
চিনে বাদাম: যদি আপনাদের পরিবারে বাদামে অ্যালার্জির প্রবণতা থাকে তাহলে এই সময় বাদাম খাবেন না। কারণ, এই অ্যালার্জি দুধের মাধ্যমে শিশুর শরীরে সংক্রমিত হতে পারে।
রসুন: আপনার শিশুকে দুধ খেতে চাইছে না? দুধে রসুনের গন্ধ হচ্ছে না তো? রসুন খেলে শুধু মুখে নয়, দুধেও গন্ধ হতে পারে।
গম: যদি আপনার শিশুর মলের রং লালচে হয় তাহলে গ্লুটেন সহ্য হচ্ছে না শরীরে। এমনটা হলে গমের আটা, রুটি খাওয়া বন্ধ রাখুন এই সময়।










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

মোটা মানুষেরা অন্যদের চেয়ে আগে মারা যান


মোটা মানুষেরা অন্যদের চেয়ে আগে মারা যান






মোটা মানুষদের এমনিতেই বাড়তি ওজন নিয়ে অনেকসময় উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়। তার ওপর নতুন এই গবেষণা চিন্তা বাড়িয়ে দিতে পারে আরও।
কারণ মোটা মানুষেরা সাধারণদের চেয়ে দ্রুত মৃত্যুবরণ করেন। এক্ষেত্রে পুরুষেরা নারীদের চেয়ে তিনগুণ বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। বিবিসির প্রতিবেদন।
বেশ বড় সরিসরে চালানো এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেট-এ প্রকাশিত রিপোর্টে প্রায় চল্লিশ লাখ মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মোটা মানুষেরা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে অন্তত তিন বছর আগে মারা যায়।
কখনো ধূমপান করেন না এবং দীর্ঘদিন কোনও রোগে ভোগেননি এমন মানুষদের ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়।





তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

‘ও’ পজিটিভ রক্তের গ্রুপ স্পেশাল হওয়ার কারণ কি?

‘ও’ পজিটিভ রক্তের গ্রুপ স্পেশাল হওয়ার কারণ কি?






মোটামুটি সবারই জানা যে, সার্বজনীন দাতা রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ। এই গ্রুপের কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। যেমন: যাদের শরীরে ‘ও’ গ্রুপের রক্ত তাদের নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এদের তুলনামূলক আলসার, থাইরয়েডের অসুখে ভোগার হার বেশি। হরমোনের মাত্রাও কম হয়। আয়োডিনের ঘাটতিও দেখা যায়। সহজে মোট হয়ে যায়।
এতো সমস্যার পরেও কিন্তু এই গ্রুপটি স্পেশাল। কারণ, এরা সাধারণত সমাজের নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নেতৃত্ব স্বভাবজাত গুণ। কাজে অত্যন্ত মনোযোগী, ব্যক্তিত্ববান।
তবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়লে, ভীষণ রেগে যায়, অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। পাশাপাশি অতিমাত্রায় আবেগতাড়িত। খাওয়াদাওয়া নিয়ে হুঁশ থাকে না। স্বাস্থ্য নিয়ে ওতো মাথা ঘামায় না।
এই গ্রুপটি জাপানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চাকরির ইন্টারভিউয়ে কমন প্রশ্ন থাকে ব্লাড গ্রুপ। আর সেটা ‘ও’ হলে পাস মার্ক! কারণ জাপানিরা মনে করে, ‘ও’ গ্রুপের অধিকারীরা খুবই দায়িত্ববান, কাজ ফেলে রাখা পছন্দ করে না, যুক্তিবাদী, গোছালো।









তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

দেহে যে ব্যাকটেরিয়া ঢুকলে কয়েক ঘণ্টাতেই মৃত্যু!

দেহে যে ব্যাকটেরিয়া ঢুকলে কয়েক ঘণ্টাতেই মৃত্যু!




দেহে ‘বারখোলডেরিয়া সিউডোমাল্লি’ নামক এক ব্যাকটেরিয়া ঢুকলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু নিশ্চিত! এমনই ভয়ঙ্কর এই ব্যাকটেরিয়া। ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে মারা গেছেন প্রায় ৯০ হাজার মানুষ। সমীক্ষার পর এমনটাই জানিয়েছেন গ্রিফিত বিশ্ববিদ্যালয় ও বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।খবর জিনিউজ।
নাক দিয়ে ঢুকে এই ব্যাকটেরিয়া অকেজো করে দিচ্ছে মস্তিষ্ক ও শিরদাঁড়া। এরপর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই ব্যক্তি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন।
ভয়ের বিষয় হল, ভয়ঙ্কর এই ব্যাকটেরিয়াটি বেঁচে থাকে বাতাসের মধ্যে। আর আপনার শ্বাসপ্রশ্বাসের সময় কখন তা নাক দিয়ে আপনার শরীরের মধ্যে ঢুকে পড়বে, তা আপনি টেরও পাবেন না। দেহে এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের পরই শুরু হয় জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট। তারপর ধীরে ধীরে স্নায়ুতন্ত্রকে অকেজো করে দেয় সেটি।
ভয়ঙ্কর এই ব্যকটেরিয়ার হাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হিসেবে গবেষকরা বলছেন, আপাতত মাস্ক পরে থাকুন। আবর্জনা ভর্তি জায়গা এড়িয়ে চলুন।
















তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

প্রতিদিন ২টি পাঁকা কলা খেলে কি হয় জানেন?

প্রতিদিন ২টি পাঁকা কলা খেলে কি হয় জানেন?





একমাত্র ব্যাচেলর এবং জিম সচেতন ব্যক্তিরাই কলাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে থাকে। হায়ার পারসপেক্টিভ ডটকমের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিদিন ২টি পাঁকা কলা খেলে, তা আপনাকে দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনে নেতৃত্ব দিতে পারে।



এছাড়াও প্রতিদিন ২টি কলা খাওয়ার আরো কিছু উপকারিতা জেনে নিন।

উচ্চ রক্তচাপ কমে
আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে, প্রতিদিন ২টি কলা খেতে পারেন। কারণ এতে থাকা উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম ও নিম্নমাত্রার সোডিয়াম শরীরের রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া যারা হৃদরোগে ভুগছেন, তাদের জন্য কলা অত্যন্ত সহায়ক।
কোষ্ঠকাঠিন্য
প্রতিদিন ২টি করে কলা খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হবে। কলার মধ্যে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।
কর্মশক্তি যোগাবে
কলার মধ্যে তিন ধরনের প্রাকৃতিক চিনির শক্তিশালী মিশ্রণ থাকে, এগুলো হচ্ছে: ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ এবং সুক্রোজ। কলার এসব প্রাকৃতিক চিনি আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখবে এবং আপনাকে দেবে দিনের প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি।
বুকজ্বালা
আপনি যদি বুকজ্বালায় ভুগে থাকেন, তাহলে আপনি জেনে খুশি হবেন যে কাঁচা কলায় প্রাকৃতিক এন্টাসিড রয়েছে।
রক্তশূন্যতা
আয়রন প্রয়োজন? কলা থাকতে চিন্তা কিসের। লোহিত রক্তকণিকা এবং হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে কলা সাহায্য করে।
হতাশার সঙ্গে যুদ্ধ করবে
বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত হয়েছে, খাদ্যাভাস হিসেবে কলা বিষন্নতার সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। কলার মধ্যে খুবই উচ্চ ঘনত্বের ট্রিপটোফেন নামক এক প্রকার অ্যামিনো এসিড রয়েছে। বিষন্নতায় ভুগলে তাই দিনে ২টি করে কলা খেতে পারেন। কেননা এতে থাকা ট্রিপটোফেন শরীরের সেরোটোনিনে রূপান্তিরত হয়, যা বিষন্নতা কমাতে সাহায্য করে এবং মেজাজ ভালোর দিকে নিয়ে যায়।
শরীরে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে
কলাতে যে পরিমান ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়, তা আপনার শরীরের হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন ২টি কলা খেলে, তা আপনাকে দেবে মজবুত পেশী। এছাড়া যারা হাড়ের গাঁটে গাঁটে বাতের ব্যাথার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের খাদ্যাভাসে কলা রাখতে পারেন।
শরীর থেকে নিকোটিন অপসারণ করবে
ধূমপান সম্প্রতি ছেড়ে দিয়ে থাকলে, এই সিদ্ধান্তে অটুট থাকতে সাহায্য করবে কলা। ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরে শরীরের নিকোটিনের তাড়নায় আবারো ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়ার ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু নয়। সুতরাং কলা খেলে তা শরীরে থেকে নিকোটিন অপসারণে ভূমিকা রাখে, ফলে ধূমপান ছাড়ার পর শারীরিক অস্বস্তির মোকাবিলা করা যাবে।
শরীরের ধকল কাটাবে
রাতে পার্টিতে গিয়ে মদ্যপানের পর শরীরে সৃষ্ট ডিহাইড্রেশন পূরণে সহায়ক কলা। কারণ, কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকায় শরীরের আদ্রতা এবং ইলেক্ট্রোলাইটস ফিরে পেতে সাহায্য করে।
এসডিএম











তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

মাত্রাতিরিক্ত মাংস খাওয়া কিডনির জন্য কাল হয়ে দাড়ায়!‌


মাত্রাতিরিক্ত মাংস খাওয়া কিডনির জন্য কাল হয়ে দাড়ায়!‌






বাঙালি বলে কথা, কব্জি ডুবিয়ে মাংস না হলে হয়! ঝাল-ঝোল, কষা-কাবাব, বিরিয়ানি-রোল, আরও কত কী। আর এখানেই বিপদ। মাটনে বাড়ছে কোলেস্টরল। ক্ষতি হচ্ছে কিডনিরও। সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানাচ্ছে, অতিরিক্ত রেড মিট ডেকে আনতে পারে কিডনির ক্যানসারও। অতএব, এখনই সাবধান।



আমাদের শরীরে কিডনির কাজটা ঠিক কী?
আপনার নাভি বরাবর পিঠের দিকে গেলে তার একটু ওপরে কিডনির অবস্থান। সুস্থ শরীরে দুটো কিডনি থাকে। সাধারণ আকার হাতের তালুর চেয়ে বড় নয়। শরীর সুস্থ রাখতে অপরিসীম গুরুত্ব কিডনির। রক্ত থেকে নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য বা রেচন পদার্থ অপসারণ করে। রক্তে ক্ষারের সমতা রক্ষা করে। দেহে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। পরোক্ষভাবে দেহের তাপমাত্রা রক্ষা করে। ভিটামিন ডি তৈরিতে অংশ নেয়। রক্তে লোহিত কণিকা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা কিডনির।  সূত্র: জিনিউজ











তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

জেনে নিন ওষুধের পাতায় খালি ঘর থাকে কেন?



জেনে নিন ওষুধের পাতায় খালি ঘর থাকে কেন?

আমরা দেখে থাকি ওষুধের পাতায় অনেক সময় খালি ঘর থাকে, বিশেষ করে যেসব পাতায় একটি ওষুধ থাকে। কখনো কী ভেবে দেখেছেন, এত বড় একটা পাতার মাঝখানে কেন একটা ওষুধ থাকে? আর কেনই বা এর চারকোনায় চারটি ফাঁকা ঘর থাকে? আপনি কি ভাবছেন, ওষুধের কোম্পানিগুলো ভুলে এই ফাঁকা জায়গাগুলোতে ওষুধ ভরেনি? এটা অবশ্য ভাবার কোনো কারণ নেই।







আবার অনেকে ধারণা করেন, যে প্যাকেটে একটি মাত্র ওষুধ থাকে সেগুলোর দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। তাই বড় প্যাকেট দেখলে ক্রেতাদের দাম বেশি দিতেও আপত্তি থাকে না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, এই খালি জায়গাগুলো রাখা হয় যাতে বাড়তি গ্যাস বা বাতাস শুধু ওষুধের মধ্যে প্রবেশ না করে। বিষয়টি পুরোপুরি এমন নয়। কেন ওষুধের পাতায় ও রকম জায়গা রাখা হয় সেটার ব্যাখ্যা দিয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগ।
১. ওষুধের কোম্পানিগুলো সাধারণত এই ফাঁকা জায়গা রাখে যাতে প্যাকেটের পেছনে প্রিন্ট দেওয়ার জায়গা থাকে। কারণ ওষুধের নাম লিখতে হয়, প্রস্তুত হওয়ার তারিখ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখার জন্য জায়গা রাখতে হয়। আর যেসব প্যাকেটে একটি ওষুধ থাকে, সেখানে এই লেখা প্রিন্ট করার জন্য পুরো সমান জায়গা না রেখে চারটি বা দুটি খালি ঘর করা হয়।
২. এ ছাড়া এই ঘরগুলো ওষুধ আনা-নেওয়ার সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। অনেক সময় চাপে ওষুধ নষ্ট হয়ে যায়। এই সমস্যার সমাধানে বড় ওষুধের প্যাকেটগুলোতে ফাঁকা ঘর রাখা হয়।
৩. একটা ওষুধের সঙ্গে যেন অন্য ওষুধের রি-অ্যাকশন না হয় এ কারণে মাঝখানের জায়গাগুলোতে ফাঁকা ঘর রাখা হয়। আর হ্যাঁ, এর সঙ্গে কোম্পানিগুলোর বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য থাকে না।












তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

খাদ্যতালিকায় রসুন রাখুন সব সময়




খাদ্যতালিকায় রসুন রাখুন সব সময়






রসুন ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে যা বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। আর এই কথাকে অস্বীকার করারও কোনো উপায় নেই। কেননা, রসুনের মধ্যে রয়েছে এলিসিন। এটি বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা কমাতে কার্যকর। এমনকি সকালে খালি পেটে রসুন চিবানোও স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর।
তবে অ্যাজমা রোগীদের এটি এড়িয়ে গেলেই ভালো। এ ছাড়া অস্ত্রোপচারের আগে বা পরে রসুন এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা।

আর নিয়মিত এটি খেলে যদি কোনো অসুবিধা বোধ করেন, তবে চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করেই খাওয়া ভালো। তবে স্বাস্থ্যকর প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি এটি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
১. রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ একে অনেকটা ওষুধের মতোই তৈরি করেছে। খালি পেটে রসুন খেলে এই উপকারগুলো পেতে পারেন।
২. রসুন রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বাড়ায়। এটি পুরুষের যৌনক্ষমতা বাড়াতেও বেশ সহায়ক।
৩. রসুন হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কাজ করে।
৪. রসুন খাবারের স্বাদ বাড়াতে বেশ সহায়ক। তাই বিভিন্ন রেসিপিতে রসুন ব্যবহার করতে পারেন।
৫. নিয়মিত রসুন খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়।
৬. ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে রসুন বেশ কার্যকর। তাই ফুসফুসের সমস্যা রোধে প্রতিদিন রসুন খান।
৭. রক্ত পরিশোধিত থাকলে ত্বক ভালো থাকে। আর রসুন রক্ত পরিশোধিত করতে কাজ করে। ভালো ফল পেতে প্রতিদিন সকালে রসুন খান।









তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

কোমর ব্যথার রোগীদের পেটের মেদ কমানোর সহজ ৪ ব্যায়াম


কোমর ব্যথার রোগীদের পেটের মেদ কমানোর সহজ ৪ ব্যায়াম






পেটের মেদ একটি প্রচলিত সমস্যা। আর যাদের পিঠে ব্যথা আছে এবং একই সঙ্গে পেটের মেদ, তাদের তো ভোগান্তির শেষ নেই। পিঠের ব্যথার কারণে পেটের মেদ কমানোর সব ব্যায়াম সাধারণত তাদের জন্য নিষেধ থাকে। কারণ, কোমর ব্যথার কারণে তাদের ফরওয়ার্ড ব্যান্ডিং নিষেধ থাকে। আর পেটের মেদ কমানোর বেশির ভাগ ব্যায়ামই সামনের দিকে ঝুঁকে করতে হয়।
তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তাদের জন্য কিছু কার্যকর ব্যায়াম পদ্ধতি দেওয়া হলো। এতে কোমর ব্যথা থাকলেও কোনো ক্ষতি হবে না। এগুলো নিয়মিতভাবে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন করলে পেটের মেদ কমবে। আর এসব ব্যায়াম দাঁড়িয়ে করা যাবে। এতে কোমর ব্যথা বাড়বে না।



১. ডাম্বেল সাইড ব্যান্ড : পা দুটো কাঁধ বরাবর সোজা রেখে দাঁড়িয়ে যান। হাতে দু-তিন কেজির দুটি ডাম্বেল নিন। এবার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ডান হাতসহ ডান দিকে আস্তে আস্তে ব্যান্ড হয়ে যান, আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। এটা হলো একবার। এভাবে ১০ থেকে ১২ বার করুন। এবার একই পদ্ধতিতে বাঁ দিকে ১০ থেকে ১২ বার করুন। এভাবে হলো এক সেট। আপনাকে দুই থেকে তিন সেট করতে হবে।
২. স্ট্যান্ডিং কোর স্ট্যাবিলাইজেশন : পা দুটো কাঁধ বরাবর সোজা রেখে দাঁড়িয়ে যান। এবার হাতে তিন থেকে চার কেজির একটি ডাম্বেল নিন। এবার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে হাত দুটো বুক বরাবর সোজা রেখে ডাম্বেলটি দুই হাতে ধরে কোমর থেকে ঘাড় পর্যন্ত ডান দিকে টুইস্ট করুন। আবার সোজা হোন। আবার বাঁ দিকে টুইস্ট করুন, আবার সোজা হোন। এভাবে হলো একবার। এবার একই পদ্ধতিতে ১০ থেকে ১২ বার করুন। এভাবে হলো এক সেট। আপনাকে দুই থেকে তিন সেট করতে হবে।
৩. বো এক্সটেনশন : পা দুটো দুই থেকে আড়াই ফুট ফাঁকা রেখে দাঁড়িয়ে যান। এবার হাতে তিন থেকে চার কেজির একটি ডাম্বেল নিন। এবার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ডাম্বেলটি ধরে হাত দুটো মাথার ওপরে সোজা করে ধরুন। এবার হাত দুটো ডান দিকে অ্যাঙ্গেল করে নিন। এবার হাত দুটো বুক বরাবর নামিয়ে নিয়ে আসুন। একই সঙ্গে বাঁ পা অ্যাঙ্গেল করে বুক বরাবর নিয়ে আসুন। হাত নামানোর ও পা ওঠানোর কাজটি করতে হবে একই সঙ্গে এবং একই তালে। এভাবে হলো একবার। এবার একই পদ্ধতিতে ১০ থেকে ১২ বার করুন। এবার দিক পরিবর্তন করুন। এভাবে হলো এক সেট। আপনাকে দুই থেকে তিন সেট করতে হবে।
৪. রিভার্স ডাম্বেল চপ : পা দুটো দুই থেকে আড়াই ফুট ফাঁকা রেখে দাঁড়িয়ে যান। এবার হাতে তিন থেকে চার কেজির একটি ডাম্বেল নিন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ডাম্বেলটি ধরে হাত দুটো মাথার ওপরে সোজা করে ধরুন। এবার হাত দুটো ডান দিকে অ্যাঙ্গেল করে নিন। ডান দিক থেকে টুইস্ট করে বাঁ দিকে কোমরের কাছে আনুন। হাত নামানোর সময় হাঁটু একটু ব্যান্ড করতে হবে। আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। এভাবে হলো একবার। এবার একই পদ্ধতিতে ১০ থেকে ১২ বার করুন। এবার দিক পরিবর্তন করুন। এভাবে হলো এক সেট। আপনাকে দুই থেকে তিন সেট করতে হবে।
প্রতিটি ব্যায়ামের পরে ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিতে হবে। এভাবে চারটি ব্যায়াম সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন করলে ভালো ফল পাবেন। এতে আপনার কোমর ব্যথাও বাড়বে না। যাঁরা কোমর ব্যথার কারণে পেটের ব্যায়াম করতে পারছেন না, তাঁরা এই নিয়ম পালন করলে অনেক উপকৃত হবেন।

লেখক : ফারজানা খানম 







তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

যে লক্ষ্মণগুলি বুঝিয়ে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে


যে লক্ষ্মণগুলি বুঝিয়ে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে







আধুনিক কালের জেট গতিতে ছুটে চলা জীবনে হার্ট অ্যাটাকের উদাহরণ বহুলাংশে বেড়েছে। আগে একটা নির্দিষ্ট বয়সের উপর মানুষ এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতেন। কিন্তু এখন আর বয়সের কোনও গণ্ডি নেই। প্রতিযোগিতার বাজারে অত্যাধিক মানসিক চাপ যে কোনও বয়সের ক্ষেত্রে বাড়িয়ে দিচ্ছে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা। তবে একটু আগে থেকে সচেতন হলে, সাবধানতা অবলম্বন করা সহজ হয়।





তাই আর দেরি না করে এখনই জেনে নিন, কোন উপসর্গগুলি দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনারও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে-


১) হঠাৎ করেই যদি আপনি অত্যধিক ঘামতে থাকেন।
২) হঠাৎ করেই হজমে গন্ডগোল। আর তার থেকে বমি। অথচ এমন কিছু খাননি যাতে ফুড পয়েজনিং হতে পারে।
৩) খিদে কমে যাওয়া। খাওয়ার অনীহা।
৪) মাড়িতে, চোয়ালে ব্যথা। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে।
৫) মাঝে মাঝেই ব্ল্যাক আউট হয়ে যাওয়া, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।
৬) সেক্সে অনীহা। পুরুষাঙ্গে শিথিলতা।
৭) অনিয়মিত ঘুম। ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA)। রক্তচাপ বাড়িয়ে তোলে। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ায়।
বাঁচার উপায়
১) বার্ষিক হেল্থ চেক-আপ করান।
২) নিয়মিত ৩০ মিনিট করে যোগাসন করুন।
৩) রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪) ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।

তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট













তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০টি বাড়ি



পৃথিবীর অদ্ভুত ১০টি বাড়ি

পৃথিবীতে মানুষ বিচিত্র কত কিছুই তো বানায়। এ তালিকায় তার প্রিয় বাড়িও রয়েছে। এখানে দেখুন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অদ্ভুত সব বাড়ি।










১. জাপানের এই বাড়িটির নাম ফ্লাইং মাড বোট। অদ্ভুত এক ভাসমান বাড়ি। মাটি দিয়ে বানানো নৌকার মতো
HOUSE


২. এই বাড়িটি দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়। রাশিয়ার সাইবেরিয়ার এক শহর ক্রান্সনোইয়ারস্কের একটি বাড়ি।
HOUSE



৩. দক্ষিণ কোরিয়ার সিম জায়-ডাক হলেন ওয়ার্ল্ড টয়লেট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান। তার বাড়ির সঙ্গে পেশা মেলে। থাকেন টয়লেট সিট ডিজাইনে বানানো বাড়িতে। বাইরে থেকে অন্তত এমনই দেখা যায়।
HOUSE



৪. জাপানের টকিওতে ১৯৮৪ সালে বানানো হয় সানরিও স্ট্রবেরি হাউড। এটা টোকিওর শিশুদের জন্য বানানো প্রথম শপিং সেন্টার। স্ট্রবেরি মাঝের আদলে গড়া ভবনটি যেন এক রূপকথার রাজ্য।
HOUSE



৫. সেই সত্তর দশকে ফ্যাশন ডিজাইনার পিয়েরে কার্ডিনের অদ্ভুত দর্শন বাড়ি। এটাকে ঐতিহাসিক স্থাপনা বলে ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্সের মিনিস্ট্রি অব কালচার।
HOUSE




৬. এ বাড়ির কিভাবে ভারসাম্য রক্ষা করে দাঁড়িয়ে রয়েছে? সার্বিয়ার বাড়িটি এখানে এভাবেই দাঁড়িয়ে রয়েছে ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে।
HOUSE



৭. একটি গম্বুজ একটি বাড়ি। ইন্দোনেশিয়ার প্রাচীন শহর ইয়োগায়াকার্তায় ভূমিকম্পে ঘর হারানো কৃষকদের জন্য বানানো হয় ৭০টি বাড়ি। এই বাড়িগুলো অবশ্য বড় মাত্রার ভূমিকম্প ও ঘণ্টায় ১৯০ মাইল বেগে বয়ে যাওয়া ঝড়ো হাওয়ায় টিকে যেতে সক্ষম।
HOUSE



৮. বিশ্বের সবচেয়ে ছিপছিপে বাড়িটি দেখে নিন। এ বাড়িটি গড়ে মাত্র ৫ ফুট চওড়া। পোল্যান্ডের ওয়ারস শহরে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারা এডগার কেরেটের বাবা-মা। তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেই সময় টিকে যাওয়া দুটো বাড়ির মাঝখানে এটি বানিয়েছেন তিনি।
HOUSE



৯. তিন বেডরুমের এই বাড়িটি বানানো হয়েছে চারটি শিপিং কন্টেইনার দিয়ে। সিডনির এ বাড়িতে আছে দুটো বাথরুম, কাঠেল মেঝে, একটি রান্নাঘর এবং কাপড় ধোয়ার কক্ষ। মজার বিষয় হলো, এ বাড়িটিকে যেখানে ইচ্ছা চালিয়ে নেওয়া যায়।
HOUSE




১০. বাড়িটির নাম বিয়ার ক্যান হাউজ। এর বাইরের অংশ ৫০ হাজার বিয়ারের ক্যান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
HOUSE










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি



কিছু সেলিব্রিটি মেয়ে তো ফাটাফাটি

 do





তসলিমা নাসরিন
তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আজকাল আমার উৎসাহ নেই বললেই চলে। অমিতাভ বচ্চনকে ভীষণ ভালোবাসতাম। তাঁকে মনে হতো দুনিয়ার সবচেয়ে স্মার্ট পুরুষ। তারপর তাঁর ব্যক্তিজীবন ঘেঁটে যখন দেখলাম কিছু হলেই তিনি তিরুপতি মন্দিরে দৌড়োন, শুভ কিছু ঘটানোর জন্য কোটি কোটি টাকা মন্দিরে দান করেন, তখন মন ভেঙে গেলো। প্রিয় মানুষদের, ভেবেই নিয়েছিলাম, যুক্তি-বুদ্ধির অভাব নেই। বাস্তবটা বড় অচেনা আর অন্যরকম। প্রিয় মানুষদেরও তাই বড় দূরের মনে হয়। পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়াকে শুনেছি অমঙ্গল কাটাতে গাছের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন। ঐশ্বরিয়া অত্যন্ত ভালো অভিনেত্রী, কিন্তু প্রতিবাদ করেনি। সুচিত্রা সেনকে তো কম ভালোবাসিনি, শুনেছি উনিও নাকি বেলুড় মঠে যেতেন প্রায়ই। পুজো আচ্চা নিয়ে থাকতেন। রাজ্জাকও দেখেছি ধর্মকর্মে ডুবেছেন, ববিতা বোরখা পরছেন, শাবানা তো শরীরে বোরখা চাপিয়েছেনই, এতকাল সিনেমা করাকে পাপ করেছেন বলে মনে করছেন। যেদিকে তাকাই সেদিকেই দেখি তারকারা একেকটা কুসংস্কারের ডেঁপো।
কিছুদিন হলো কিছু তারকা মেয়ের কথায় চমকে উঠছি। দিপিকা পাদুকোনের একটি ছবি ছাপা হয়েছিল টাইমস অব ইন্ডিয়ায়, ছবিটায় দিপিকার ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছিল। তাই নিয়ে তুলকালাম। চারদিকে ছি ছি চলছে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে গালাগালি দেওয়া হচ্ছে। দিপিকা সোজা বলে দিল, ‘আমার স্তন আছে, আমার ক্লিভেজও আছে, এ দেখা গেলে আমার তো কোনো অসুবিধে নেই, তোমাদের অসুবিধে হচ্ছে কেন?’ শুনে তো আমি ব্রাভো বলে চেঁচিয়ে উঠলাম।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া সেদিন বলেছে, ‘সন্তান জন্ম দিতে হলেই শুধু পুরুষকে প্রয়োজন, তাছাড়া জীবনে পুরুষের কোনো প্রয়োজন নেই।’ বাহ, এমন কথা একটা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বড় হওয়া মেয়ের মুখে, বিশেষ করে তারকার মুখে শুনবো, আশা করিনি। তারকারা বিজ্ঞান পড়ে না, বিবর্তন সম্পর্কে কিছুই পড়ে না, নারীবাদীদের বইও পড়ে না, তারা দেশভর্তি অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত মানুষকে খুশি করতে ব্যস্ত থাকে এবং এমন কোনো কথা তারা বলে না, যা শুনে তাদের দর্শক আহত হয়। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা তার দর্শকদের খুশি করতে ব্যস্ত নয়। কে কী ভাববে তার পরোয়া করেনি।
ওর কথা শুনে আমি তো রীতিমতো মুগ্ধ। এমন মেয়ের দেখা তারকাজগতে মেলে না বললেই চলে। তারকা মেয়েরাও এই সমাজেরই মানুষ, তাদেরও এই সমাজের মেয়েদের মতোই বিয়ে করতে হবে, ঘরসংসার করতে হবে, বাচ্চা কাচ্চা পয়দা করতে হবে, স্বামী সন্তানের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে হবে— এই বিশ্বাস প্রায় সব তারকা এবং তাদের অনুরাগী দর্শকদের। এই বিশ্বাসের গায়ে আঘাত দিয়ে কথা বলা সহজ নয় খুব। প্রিয়াঙ্কা কঠিন কাজটিই করেছে। সেদিন সানিয়া মির্জাও আমাকে চমকে দিল। খবরটা এরকম : সানিয়া মির্জা তার আত্মজীবনী গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে সানিয়ার সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন রাজদীপ সরদেশাই। রাজদীপ ভারত টেলিভিশনের বড় সাংবাদিক। নানা প্রসঙ্গের পর হঠাৎই তিনি জিজ্ঞেস করে বসেন, সানিয়া মির্জা কবে ‘থিতু’ হচ্ছেন? মা হওয়ার কথা ভাবছেন কি? বইয়ে কেন তিনি এ সব নিয়ে কিছু লেখেননি?
উত্তরে সানিয়া বলে, ‘আপনি মনে করেন না আমি সেটল্ড?’ শুনে রাজদীপ বলেন, তাঁর বইয়ে সানিয়া অবসরোত্তর জীবন নিয়ে লেখেননি। লেখেননি, মা হওয়ার পরিকল্পনা বা পরিবার গড়ার প্ল্যান নিয়েও। যা শুনে সানিয়া সোজাসুজি বলেছে, ‘আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, মা হওয়ার কথা না ভেবে আমি যে বিশ্বের এক নম্বর হওয়ার বিকল্পটা বেছে নিয়েছি, তাতে আপনি প্রচণ্ড হতাশ!’ সঙ্গে যোগ করে, ‘তবু আমি এটার উত্তর দেব। বাকি মেয়েদের মতো আমাকেও বারবার এই প্রশ্নের সামনে পড়তে হয়েছে। প্রথমে বিয়ে, তার পর মা হওয়া। এগুলো না হলে আমরা নাকি থিতু হই না! হতাশার ব্যাপার হলো, যতগুলো উইম্বলডনই জিতি, যতবার বিশ্বের এক নম্বর হই, আমরা থিতু হই না!’ সানিয়ার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন রাজদীপ। পরে যখন সানিয়াকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কীভাবে মানুষের মনে থাকতে চান, তখনো তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি সানিয়া। বলেছে, ‘আমি যেন এমন কিছু করতে পারি যাতে ২৯ বছরের কোনও বিশ্বসেরা মেয়েকে কেউ না জিজ্ঞেস করতে পারে, সে কবে মা হচ্ছে!’
সানিয়ার এই সাক্ষাৎকার দেখে আমি এমনই উত্তেজিত ছিলাম যে রাজদীপ সরদেশাই-এর সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক থাকার পরও আমি টুইটারে লিখেছি, ‘রাজদীপ স্টুপিড প্রশ্ন করেছে সানিয়াকে’। সানিয়ার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছি, কারণ সানিয়া খুব সত্য কথা বলেছে। এমন সত্য কথা ভারতীয় উপমহাদেশের তারকাদের মুখে আমরা শুনে অভ্যস্ত নই। তারকা মেয়েরা সাধারণত বলে সমাজের রীতিনীতি তারা খুব মেনে চলে। বিয়ের পর তারা স্বামী সন্তানে মন দেবে, তারা আর খেলবে না বা সিনেমা করবে না। বিয়ের পর কোনো পুরুষ তারকা কী করবে, থিতু হবে কিনা, সন্তান জন্ম দেবে কি না, এ ধরনের প্রশ্ন কিন্তু কেউ করে না। কেবল মেয়ের বেলায় কেরিয়ার ছাড়ার প্রশ্ন ওঠে। সফল অভিনেত্রী, গায়িকা, চিত্রপরিচালিকা, খেলোয়াড়, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, মন্ত্রী, ব্যবসায়ী মেয়েরাও নিজের পরিচয়ে পরিচিত হতে পারে না, তারা কার স্ত্রী, কার মেয়ে, কার মা, কার বোন— এসবের খোঁজখবর সবসময়ই চলে।
সানিয়া মির্জার স্বামী শোয়েব মালিকও একজন তারকা খেলোয়াড়। তাকে কিন্তু কেউ, কোনো মেয়ে-সাংবাদিক, কোনো পুরুষ-সাংবাদিক প্রশ্ন করবে না শোয়েব ঘর সংসারে মন দেবে কবে, বাবা হবে কবে, থিতু কবে হবে। পুরুষেরা যত নিশ্চিন্তে নিজেদের কেরিয়ার গড়তে পারে, মেয়েরা তত নিশ্চিন্তে পারে না। পারে না বলা উচিত হবে না। মেয়েদের পারতে দেওয়া হয় না। সংসারটাকে মেয়েদের সবচেয়ে বড় কাজ বলে আজো অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে। মেয়েদের এক সময় ঘরবন্দী হতে হয়, বন্ধ করতে হয় বাইরের কাজ। অবশ্য পুরুষেরা চালিয়ে নিয়ে যায়। অমিতাভ বচ্চন চালিয়ে যান, জয়া ভাদুড়ি বন্ধ করেন। সুচিত্রা সেন বন্ধ করেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় চালিয়ে যান। কাজল বন্ধ করেন, অজয় দেবগণ চালিয়ে যান। এরকম অনেক উদাহরণ আমাদের চারদিকে। বয়স হয়ে গেলে মেয়েদের আর পাতে তোলা যায় না, কিন্তু বয়সটা পুরুষের জন্য কোনো বিষয় নয়। ঠিক না? ঠিক, কারণ সমাজের মানুষগুলোকে এই বৈষম্যের ধারণা নিয়ে আমরা বড় হতে দিই, এভাবেই তাদের হাতে সমাজকে আমরা গড়তে দিই এবং এভাবে এখনো সমাজকে চলতে দিই।
হ্যাপি নামের এক মেয়েকে দেখতাম ক্রিকেটার রুবেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বেশ সাহসী কথাবার্তা বলছে ফেসবুকে। সমাজ ছি ছি করে বলে যে কথাগুলো মেয়েরা সাধারণত লুকোয়, কিছুর তোয়াক্কা না করে হ্যাপি সে কথাগুলোই জোরেশোরে সবাইকে শুনিয়ে শুনিয়েই বলেছে। তারপর কী হলো কে জানে, হঠাৎ সে উধাও। ক’দিন পর দেখি আপাদমস্তক বোরখায় ঢেকে মুখে ধর্মীয়তত্ত্ব আওড়াচ্ছে। লোকে তাকে খারাপ মেয়ে ভেবেছিলো, তাই লোকের চোখে ভালো হওয়ার জন্য ধর্মের আশ্রয় নিয়েছে সে। বড় মায়াই হয়, নিজের সকল প্রতিভা, সকল সম্ভাবনা সব বিসর্জন দিতে হলো তাকে। হ্যাপি যে এদিকে রুবেলের গোপন সব কথা ফাঁস করে দিল, তার পরও কিন্তু কেউ রুবেলকে খারাপ ছেলে মনে করেনি, আর নিজেকে লোকের চোখে ভালো প্রমাণ করার জন্য রুবেলকে আপাদমস্তক আবৃত করতেও হয়নি। সে দিব্যি তার জীবনযাপন করছে, যেমন করছিল। শুধু হেরে যেতে হলো হ্যাপিকেই।
মেয়েদেরই হেরে যেতে হয়। সেদিন পাকিস্তানের সেই মডেল-মেয়ে কান্দিল বালোচকে হারিয়ে দিল পাকিস্তানের সমাজ। তার আপন ভাই তাকে বিষ খাইয়ে, শ্বাসরোধ করে হত্যা করলো। কান্দিল নাকি সমাজের রীতিনীতি মেনে চলছিল না। যে সমাজ মেয়েদের স্বাধীনতার পথে বাধা, সেই সমাজকে মেনে চলার কোনো যুক্তি নেই। যে মেয়েরা শত ধিক দেবে সেই পুঁতিগন্ধময় সমাজকে, সেই সমাজের রীতিনীতিকে পায়ে মাড়িয়ে যাবে, সে মেয়েরাই সামনে এগোবে, সেই মেয়েরাই আমাদের গর্ব, সেই মেয়েরাই ভবিষ্যৎ।
সব মেয়ে হেরে যায় না। দিপিকা, প্রিয়াঙ্কা, সানিয়ারা কিন্তু হেরে যাচ্ছে না। এদের দেখেই আত্মবিশ্বাস আর আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে শিখুক মনোবলহীন তারকা-মেয়েরা।
লেখক : নির্বাসিত লেখিকা।












তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....



Thursday, March 13, 2014

Theme Song - ICC Twenty20 World Cup 2014

)

তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাওযাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই,আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলেআমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....