Sunday, July 24, 2016

এবার ওষুধ ছাড়াই আয়ত্বে রাখুন ব্লাড সুগার



এবার ওষুধ ছাড়াই আয়ত্বে রাখুন ব্লাড সুগার









ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক রাখতে চান। অথচ মোটেই ওষুধ খেতে ভালো লাগে না? এবার ওষুধ না খেয়েই ঠিক থাকবে রক্তে চিনির পরিমান। শুধুমাত্র যোগাসন করেই এমনটা সম্ভব হবে।
দিনের পর দিন ওষুধ খেতে কারই বা ভালো লাগে? আমরা প্রত্যেকেই ওষুধ না খেয়ে সুস্থ থাকতে চাই। সম্প্রতি চিকিত্‌সকেরা জানিয়েছেন যে, ওষুধ না খেয়েও ব্লাড সুগার কন্ট্রোলে রাখা যায়। শুধু নিয়ম করে যোগাসন করতে হবে। তাহলে জেনে নিন কোন কোন যোগাসনে ব্লাড সুগার লেভেল কন্ট্রোলে রাখা যায়-















তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

বেশি সেলফিতে অকালে বুড়িয়ে যাবার ঝুঁকি বাড়ে



বেশি সেলফিতে অকালে বুড়িয়ে যাবার ঝুঁকি বাড়ে









এক সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে সেলফি তোলার সময় হাই এনার্জি ভিজিবল লাইটের প্রভাবে ত্বকের ডিএনএ ড্যামেজ থেকে শুরু করে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক অসুখের সম্ভাবনা প্রবল। হতে পারে মনের সমস্যাও। সাবধান করলেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা।
চলন্ত ট্রেনের সামনে সেলফি তুলতে গিয়ে আচমকা প্রানহানি অথবা পিলারে দাঁড়িয়ে তাজমহলের সঙ্গে সেলফি তুলতে গিয়ে গুরুতর আহত জাপানের সত্তরোর্ধ পর্যটক, অথবা বিদেশে শিল্প আলোচনায় গিয়ে রাজনীতিকের সেলফি তুলে পোস্ট করার মত ঘটনা নিয়ে অনেকেই সরব হন। একই সঙ্গে তারাও সবান্ধবে বা সপরিবারে সেলফি তুলে সোশ্যাল সাইটে পোষ্ট করতে পিছপা হন না।
আসলে সেলফি প্রিয় মানুষেরা নিজেদের জাহির করতেই অনবরত সিনেমাহল থেকে পাহাড়ের চূড়োয় বা সেলিব্রিটির সঙ্গে এমনকি মানুষের শেষযাত্রার সময়ও সেলফি তুলে পোস্ট করেন। শুধু টিন এজাররাই নয়, সেলফি জ্বরে কাবু আট থেকে আশি অজস্র মানুষ। এক গবেষণায় জানা গেছে যে মোবাইলের ফ্রন্ট ক্যামেরায় যে নীল আলো অর্থাৎ হাই এনার্জি ভিজিবিল লাইট (HEV) থাকে তা আমাদের ত্বক সহ শরীরের ওপর নানান ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
জার্নাল অফ আমেরিকান অ্যাকেডেমি অফ ডার্মাটোলজিতে সাম্প্রতিক এই বিষয়ে এক গবেষনণা পত্র প্রকাশিত হয়েছে। জানা গেছে যে ব্লু ব্যান্ডের হাই এনার্জি ভিজিবিল লাইট (HEV) ত্বক ও চোখের মারাত্মক ক্ষতি করে। এই নীল আলো রিক্যাটিভ অক্সিজেন স্পেসিস (ROS) ত্বকের ডিএনএ ড্যামেজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেয়। ফলস্বরূপ শুরুতে কম বয়সে ত্বক বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। আর এর দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি আরও মারাত্বক। ডিএনএ ড্যামেজ থেকে পরবর্তী কালে ক্যানসার হবার সম্ভাবনা প্রবল।
সাধারণ মানুষ ইদানীং সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি সম্পর্কে সচেতন হলেও হাই এনার্জি ভিজিবিল লাইট সম্পর্কে একেবারেই সচেতন নন। অথচ মোবাইল ফোন ক্যামেরা থেকে এই আলো নিসৃত হয়ে মুখ ও গলার ত্বকের ক্ষতি করে চলেছে। অনেকে অবশ্য মনে করেন সানস্ক্রিন লাগালেই নাকি স্কিন ড্যামেজের হাত এড়ানো সম্ভব। এই ধারণা ঠিক নয়। হাই এনার্জি ভিজিবিল লাইট প্রোটেক্টিং সিরামের সাহায্যে কিছুটা প্রতিরোধ করা যায়। সবথেকে বড় কথা সেলফি তোলা হয় ছয় ইঞ্চি বড়জোর একফুট দূর থেকে। সে জায়গায় ক্যামেরায় ছবি তুলতে গেলে ন্যূনতম তিন ফুট দূরে ক্যামেরা থাকে। তাই সেলফির বিপদ অনেক বেশি। সারাদিন সেলফি তুলতে গিয়ে সেলফিস না হয়ে কাছের মানুষদের সঙ্গে কথা বলা ও গল্প করা শরীর মন দুই এর জন্যেই ভাল।
দিনের মধ্যে অজস্র বার সেলফি তোলা শুধু যে শরীরের ক্ষতি করে তাই নয়, মানসিক ভাবেও অসুস্থ করে তোলে। আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোশিয়েশন-এর বিশেষজ্ঞদের মতে সারাদিন ধরে সেলফি তোলা পারসোনালিটি ডিজঅর্ডারের লক্ষণ। প্রত্যেক মানুষেরই নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো প্রয়োজন। আত্মসমীক্ষা করলে তবেই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। কিন্তু ইদানীং মোবাইল ফোনের দাপটে অনেক মানুষই নিজের জন্যে তো নয়ই এমনকী বাবা, মা, ভাই, বোন, সন্তান বা স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে বসে কথা বলার জন্যেও ন্যূনতম সময় বার করতে পারে না। সেলফি তুলতে গিয়ে অনেকের এমন অবস্থা হয় যে, কাজকর্ম, খাওয়া, ঘুম সহ নিজের রোজকার স্বাভাবিক জীবন যাপণ পর্যন্ত ব্যহত হয়। সেলফ কাউন্সেলিং এ কাজ না হলে প্রোফেশনাল মেন্টাল হেলথ প্রোফেশনালের সাহায্য নিয়ে এই ব্যাপারটা থেকে অবিলম্বে বেরিয়ে আসা উচিত। নাহলে অতিরিক্ত সেলফি মোহ সব কিছু ওলোটপালট করে দিতে পারে। অনেকে আবার সেলিব্রিটি দেখলেই ঝাঁপিয়ে পরে সেলফি তোলার চেষ্টা করেন। এটাও কিন্তু এক হীনমন্যতার প্রকাশ। যাদের সেলফ রেসপেক্ট এর অভাব, তারাই এই ধরনের লোক দেখানো আচরণ করে। অনেকে আবার অন্যদের অনুসরণ করতে গিয়ে হাস্যকর ভাবে লাগাতার সেলফি তুলতে শুরু করে। তবে সেলফি তোলা মানেই সব খারাপ নয়, সেলফি তুলুন পোষ্টও করুন মাত্রা রেখে।













তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

৩ কেজি ওজন কমবে মাত্র ৭ দিনে!



৩ কেজি ওজন কমবে মাত্র ৭ দিনে!











আমরা সকলেই বাড়তি ওজন নিয়ে কমবেশি চিন্তিত। কিন্তু সময় নিয়ে ওজন কমানোর কাজটিও যে করতে ভালো লাগে না। শুধু ক্রাশ ডায়েটের মাধ্যমে অল্প সময়ে ওজন কমাতে পারবেন। চাইলে সাত দিনে তিন কেজি ওজন ঝরিয়ে ঝরঝরে হওয়া যায়। যদিও এর জন্য আপনাকে আপনার খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করতে হবে। একটু কঠিন এই খাদ্যাভ্যাস। তবে কঠোরভাবে পালনের মাধ্যমে কমিয়ে নিতে পারেন সপ্তাহে তিন কেজি বাড়তি ওজন।
অতিরিক্ত স্থূলতা নানা রকম শারীরিক সমস্যার কারণ। স্থূলতা কমাতে বিভিন্ন কার্যকর উপায়ও আছে। বয়স, শারীরিক কাঠামো, ওজন এবং শারীরিক অন্য কোনও সমস্যা রয়েছে কি না তা জেনেই একজন পুষ্টিবিদ ঠিক করে দেন কী উপায়ে অল্প সময়ে ওজন কমাতে পারবেন।
এক সপ্তাহে তিন কেজি ওজন কমাতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনটা কম-বেশি সবাই করতে পারেন। তবে উচ্চতা, বয়স এবং ওজনের ওপর নির্ভর করে খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।
এই সাত দিনে আপনি প্রচুর পরিমাণে জল এবং তরল জাতীয় খাবার খাবেন। দিনে তিনবার স্যুপ অথবা সবজি এক বাটি করে। কোনও মসলা, কর্নফ্লাওয়ার, তেল, চর্বি বাদ দিয়ে চিকেন স্যুপও খেতে পারেন। সঙ্গে দুই বেলা উচ্চ প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট জলে গুলিয়ে খেতে হবে।
দুপুরে খেতে পারেন শুধু বা মিক্সড সালাড। অবশ্যই নানা রকম মসলা বাদ দিতে হবে। সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা, রাত মিলিয়ে খেতে পারেন বিভিন্ন ফল—আম, পেঁপে, কমলা, আনারস, আপেল, তরমুজ, বাঙ্গি, জাম্বুরা, ডাবের পানি ইত্যাদি। ফলের জুস হিসেবে খেতে পারেন ২০০-২৫০ মিলি লিটার।
শুধু ডায়েট করলে হবে না।
পাশাপাশি সাঁতার কাটা বা হাঁটার মতো ব্যায়ামও করতে হবে। তবে এই ডায়েট বেশি দিন করা ঠিক নয়।
অনেক সময় দেখা যায় এ ধরনের ক্রাশ ডায়েট বেশি দিন মেনে চলতে গেলে শরীরের অভ্যন্তরীণ সমস্যা ছাড়াও বাহ্যিক সমস্যা দেখা দেয়। মাথা ঘোরা, ঘুম না হওয়া, পেট ব্যথা, পেট খারাপ হওয়া, দুর্বলতা, কাজকর্মে আগ্রহ হারানো, চেহারায় ক্লান্তির ছাপ, ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট











তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

লিভার পরিষ্কার রাখতে আট খাবার



লিভার পরিষ্কার রাখতে আট খাবার

শরীরের একাটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল লিভার। লিভার বা যকৃৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শরীরে নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। এই কারণে এই অঙ্গটিকে সুস্থ রাখা ভীষণ প্রয়োজন। অনেকগুলি খাবার আছে যেগুলি খেলে লিভার ভাল থাকে। সেগুলোর মধ্যে সেরা আট খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:
০১. লিভারকে পরিষ্কার রাখতে ব্রকোলি ভীষণ উপকারী।







০২. আঙুরও লিভারকে টক্সিকমুক্ত করতে কামাল দেখায়।
০৩. প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস গরম জলে আস্ত একটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খান।
০৪. লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে গ্রিন টি। লিভারে দূষিত পদার্থ জমা হওয়ায় স্থূলতা রোগ দেখা যায়। গ্রিন টি সেই দূষিত পদার্থ দূর করে।
০৫. অ্যাভোকাডো ফলটি লিভারের ক্ষতি হওয়া থেকে আটকায়।
০৬. যকৃৎ-পরিশোধক খাবার হল হলুদ। সেই কারণে হলুদ মেশানো খাবার খান।
০৭ আপেলও লিভার সুস্থ রাখে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে আপেল রাখা উচিত।
০৮. লিভার সাফ রাখতে রসুন ভীষণ ভাল কাজ দেয়। প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি রসুন দিয়ে রান্না করা খাবার খান।










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

এক সপ্তাহ খালি পেটে রসুন-মধু খেলে যা হয়



এক সপ্তাহ খালি পেটে রসুন-মধু খেলে যা হয়

শুধু খাদ্য বা মসলা হিসেবে নয় অনেক আগ থেকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে রসুন। বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরাময়ের জন্য  রসুন প্রচুর ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

রসুনের ভূমিকাঃ  প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার করত। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রীড়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেতেন। প্রাচীন চীন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ভারতে হৃদরোগ ও গাঁটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।
মধুর ভুমিকাঃ বিভিন্ন দেশে রোগ নিরাময়কারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসঙ্গে হয়, তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।
রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের  সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।
মধু ও রসুনের এই চমৎকার ও কার্যকরী মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি নিচে জেনে নিন-
উপাদান 
একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম, মধু, তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো বের করুন।)
যেভাবে তৈরি করবেন- 
প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।
প্রতিদিন খালি পেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠান্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

জেনে নিন গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে কী করবেন


জেনে নিন গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে কী করবেন

এত ছোট একটা জিনিস কতটা ভোগাতে পারে, গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলেই বোঝা যায়। খাবার খাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত: কাঁটা বিঁধে গলায়। এতে গলাব্যথা হয়, বুক ও পেটেও ব্যথা হয় অনেক সময়। কাঁটা সরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত অস্বস্তি থেকে যায়। এই অস্বস্তি দূর করতে কি কি করবেন জেনে নিন-
১. বাদাম চিবানমুখ ভরে বাদাম নিন। এটি হতে পারে চিনাবাদাম, কাঠবাদাম বা কাজুবাদাম। ভালো করে বাদাম চিবিয়ে গিলে ফেলুন। এর পর পানি পান করুন। এটি গলার কাঁটা দূর করতে কাজ করবে।








২. রুটি খানশুকনো পাউরুটি খেতে পারেন কাঁটা দূর করতে। মুখ ভরে পাউরুটি নিন, চিবিয়ে খান। এরপর পানি পান করুন।
৩. লবণযুক্ত পানিপানির মধ্যে সামান্য পরিমাণ লবণ গুলে খান। এতে গলার কাঁটা নরম হবে এবং ধীরে ধীরে তা বেরিয়ে যাবে।
৪. জলপাইয়ের জুসজলপাই পানি দিয়ে ফুটান। পানীয়টি গরম গরম থাকতে খান। কাঁটা নরম হয়ে গলা থেকে নেমে যাবে।
৫. ভাত খানভাত ছোট ছোট বল করে খান। তবে ভাতের সঙ্গে আর কিছু মেশাবেন না। এটি কাঁটা দূর করার একটি চমৎকার পদ্ধতি।

৬. কলা খানকাঁটা দূর করতে একটি বড় কলা খান। কলা খেতে খেতে কাঁটা নেমে যাবে।









তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

মুখের অস্বস্তিকর দুর্গন্ধ দূর করতে সহজ উপায়


মুখের অস্বস্তিকর দুর্গন্ধ দূর করতে সহজ উপায়







মুখে দুর্গন্ধ অত্যন্ত অসহ্যকর সমস্যা। মুখের দুর্গন্ধকে বেড ব্রেথ বা এসিড ব্রেথও বলা হয়। যেমন- মুখ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকলে, সাইনাসের সমস্যা হলে, পানি ঠিকমতো পান না করলে, মুখে ঠিকঠাকমতো লালা উৎপন্ন না হলে, মাড়ির বিভিন্ন অসুখ হলে সাধারণত এই দুর্গন্ধ হয়।

কেবল মুখ পরিষ্কার রেখে যদি গন্ধ দূর করতে না পারেন, তবে একটি ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যেটি দুর্গন্ধ দূর করতে দ্রুত কাজ করবে।
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।

যা যা উপাদান প্রয়োজনঃ 
#লেবুর রস এক টেবিল চামচ
#দারুচিনি গুঁড়া এক চা চামচ
#মধু দুই চা চামচ
লেবুর রস, দারুচিনি ও মধুর মিশ্রণ মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে খুবই কার্যকর। এটি দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
লেবুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক পরিষ্কারক উপাদান। এটি দাঁতের ময়লা ও প্লাক কমায়; মুখ সতেজ করে।
মধু মুখের লালা ভালোভাবে উৎপন্ন করতে কাজ করে। মুখ শুষ্ক থাকলে দুর্গন্ধ হয়। আর দারুচিনি দুর্গন্ধ দূর করতে উপকারী।
যেভাবে তৈরি করবেন
# একটি পাত্রে সব উপাদান নিন।
# এর মধ্যে সামান্য পানি ঢালুন।
# উপাদানগুলো ভালোভাবে মেশান।
# এবার এটি দিয়ে মুখ কুলকুচি করুন বা গারগেল করুন। কয়েক মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
# মুখের দুর্গন্ধ রোধে দিনে অন্তত দুবার এটি করুন।

মুখের দুর্গন্ধ রোধে মধু, দারুচিনি ও লেবুর মিশ্রণ খুবই কাজে দিবে।











তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....

বীর্যের জোর কমে ধূমপানে


বীর্যের জোর কমে ধূমপানে

নিয়মিত যারা ধূমপান করেন, সাবধান! ক্যানসারের বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ ধরে নিয়ে এড়িয়ে যাবেন না। ধূমপানে ক্যানসারের আশংকা তো আছেই, সেইসঙ্গে আপনার বীর্যেরও বারোটা বাজায় সিগারেট! শুক্রাণুর গুণগত মান খারাপ করে দেয়।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত ধূমপানে স্পার্মের DNA ভালোরকম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার প্রভাবে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব পর্যন্ত হতে পারে। যে কারণে ধূমপায়ী পুরুষদের সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। স্পার্মের ৪২২ রকম প্রোটিন বিশ্লেষণ করেই ডিএনএ-র এই গঠনগত পরিবর্তনের কথা জানতে পারেন গবেষকরা। ধূমপায়ীদের কারও কারও স্পার্মে দেখা গিয়েছে একটা প্রোটিন পুরোপুরি অনুপস্থিত। আবার, এমন অনেক ধূমপায়ীরও সন্ধান মিলেছে, যাঁদের স্পার্মে ২৭ রকমের প্রোটিন নামেমাত্র আছে। আবার খুব বেশমাত্রায় ৬ ধরনের প্রোটিন পাওয়া গিয়েছে, এমনও হয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, অতিরিক্ত ও নিয়মিত ধূমপানের কারণে পুরুষ প্রজনন নালির মধ্যে প্রদাহজনক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এই গবেষণার বিশদ প্রকাশিত হয়েছে BJU নামে একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে। গবেষণা রিপোর্টের সঙ্গেই ২০জন ধূমপায়ী ও ২০ জন অধূমপায়ীর কেসহিস্ট্রি তুলে দেওয়া হয়।
এই গবেষকদলের অন্যতম ড. রিকোর্ডো পিমেন্টা বার্তোল্লা জানিয়েছেন, বেশকিছু পরীক্ষায় এটা নিশ্চিত ভাবেই জানা গিয়েছে, সিগারেটে শুক্রাণুর ডিএনএকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যা, পুরুষ বন্ধ্যাত্বের অন্যতম একটি কারণ বলেই তাঁরা মনে করছেন।










তুমি তীরে এসে এতটুকু আশ্বাস দাও যাতে আমি হতবিহ্ববল হয়ে যাই, আমার স্মৃতিরা কেদেঁ ফেলে আমার নোঙ্গর ছিড়েঁ যায়.....